Abhishek Banerjee: ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্র নিয়ে আক্রমণ অনুরাগ ঠাকুরের, পেন ড্রাইভে করে ভিডিও পাঠালেন অভিষেক
এর আগে ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্র নিয়ে অনুরাগ ঠাকুরের আক্রমণের পাল্টা চ্যালেঞ্জও করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

নয়া দিল্লি: ভোটার তালিকায় গরমিলের অভিযোগে বাগযুদ্ধ সপ্তমে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারে ভোটার তালিকার বিভিন্ন অংশ তুলে ধরে গরমিলের অভিযোগ তুলেছিলেন বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর। ভুয়ো ভোটার নিয়ে অনুরাগ ঠাকুরকে পাল্টা জবাব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অনুরাগ ঠাকুরের বাসভবনে প্রতিনিধি পাঠালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার পেন ড্রাইভে করে ভিডিও দিয়ে আসেন অভিষেকের প্রতিনিধি।
এদিকে পাল্টা মন্তব্য করেছে তৃণমূল। এদিন তাঁরা বলেন, 'হোমওয়ার্ক না করেই অভিযোগ অনুরাগ ঠাকুরের। অনুরাগ ঠাকুরকে পেন ড্রাইভে তথ্য পাঠিয়ে দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সব ঠিকানায় গিয়ে যাচাই করুন অনুরাগ ঠাকুর। সাড়ে ৭ লক্ষ ভোটে জিতেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সাড়ে ৭ লক্ষ ভোটে হারের ধাক্কা সামলাতে পারছে না বিজেপি'।
এর আগে ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্র নিয়ে অনুরাগ ঠাকুরের আক্রমণের পাল্টা চ্যালেঞ্জও করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। হুঁশিয়ারি দিয়ে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের বক্তব্য, '২০২৪-এর ভোটার তালিকায় যদি ভূতুড়ে ভোটার থাকে, তাহলে লোকসভা ভেঙে দেওয়া হোক। লোকসভা ভেঙে দিয়ে তৎকালীন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হোক। সোমবারের মধ্যে পদত্যাগ করতে প্রস্তুত, যদি বিজেপির লোকসভা সাংসদরা পদত্যাগ করেন। ২০২৪-এ একই ভোটার তালিকায় নির্বাচিত হয়েছেন বিজেপি সাংসদরাও।'
তিনি এও বলেন, 'ডায়মন্ড হারবারে একই বাড়িতে এখনও ৪২ জন ভোটার থাকেন। ৫ জন বিয়ের পর অন্য জায়গায় গেছেন, এতে কোনও অসুবিধা নেই। ডায়মন্ড হারবারের একটি বাড়িতে ৪৭ জন ভোটার নিয়ে অনুরাগ ঠাকুরের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এ নিয়ে ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের উদাহরণ দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩০ থেকে ৩৫ জন মানুষ ওখানে থাকেন, জানিয়েছিলেন ডায়মন্ডহারবারের তৃণমূল সাংসদ।
নরেন্দ্র মোদির লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীর ভোটার তালিকা সামনে এনে গরমিলের অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। বিজেপির পাল্টা তৃণমূলের তরফে এই নথি তুলে ধরে দাবি করা হয়েছে, নরেন্দ্র মোদির লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীর ভোটার তালিকা অনুযায়ী ৫৭ বছর বয়সী রাজকমল দাস ৭২ বছর বয়সী এক ছেলের বাবা। রাজকমলদাসের মোট ৫০টি সন্তান রয়েছে! ছোটটির বয়স ২৮ বছর এবং বড়টির বয়স ৭২ বছর । এরা সকলে একই বাড়িতে থাকেন। এই নথি তুলে ধরে, কটাক্ষের সুরে তৃণমূল বলেছে, মোদী একজন সৎ ব্যক্তি এবং উনি সৎ পথেই জিতে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা ঘিরে বিতর্কের শেষ নেই।






















