Abhishek Banerjee : ভোটমুখী বিহারে 'রেসিডেন্ট সার্টিফিকেট' পেল 'কুত্তাবাবু' ! ' বিহারে তো কুকুরের নামেও...' আক্রমণে অভিষেক
খবরে প্রকাশ, বিহারে কোনও এলাকায় স্থায়ী ভাবে বসবাস করার জন্য রেসিডেন্স সার্টিফিকেট পেয়েছে ‘ডগ বাবু’। আর ঘটনাক্রমে এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, 'কুকুরের নামে ভুয়ো ভোটার কার্ড করেছে বিহারে'।

কলকাতা : 'কুকুরের নামে ভুয়ো ভোটার কার্ড করেছে বিহারে', দিল্লি যাওয়ার আগে বিহারে SIR নিয়ে কড়া আক্রমণ শানালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বিষয়টা কী? এমন অভিযোগে অনেকেই তাজ্জব ! বিহারের একাধিক স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে। বিধানসভা ভোটের আগে তড়িঘড়ি কেন বিহারে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনের মতো প্রক্রিয়া চালাতে হল, তাই নিয়ে তুঙ্গে তরজা। তারই মধ্যে এমন অভিযোগ। খবরে প্রকাশ, বিহারে কোনও এলাকায় স্থায়ী ভাবে বসবাস করার জন্য রেসিডেন্স সার্টিফিকেট পেয়েছে ‘ডগ বাবু’।
স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, পটনার মসৌড়ী আঞ্চলিক অফিস থেকে ওই সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে একটি কুকুরের ছবিও। সেই সার্টিফিকেটে ওই ‘ডগ বাবু’র বাবা-মায়ের নামও রয়েছে। ETV ভারতের সূত্র উল্লেখ করে একটি সংবাদমাধ্যম লিখেছে, শংসাপত্রটিতে নাম ছিল ডগ বাবু। তার বাবার নামের জায়গায় উল্লেখ রয়েছে কুত্তা বাবু আর মায়ের নামের জায়গায় লেখা কুতিয়া দেবী। এতে মসৌরির কৌলিচক ওয়ার্ড-১৫-এর একটি ঠিকানাও ছিল। সেই সঙ্গে ছিল রাজস্ব আধিকারিক মুরারি চৌহানের ডিজিটাল স্বাক্ষরও। সার্টিফিকেটের নম্বর BRCCO 2025/15933581। এই ঘটনাই শোরগোল ফেলে দিয়েছে। ইতিমধ্যেই ওই সার্টিফিকেট বাতিল করা হয়েছে। সম্ভবত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ঘটনারই উল্লেখ করে কটাক্ষ করতে চেয়েছেন। এদিন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একপেশেমির অভিযোগ তুলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'SIR-র নাম করে ভোটারদের ভয় দেখানো হচ্ছে। সাধারণ মানুষের অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। এদিকে বিহারে কুকুরের নামে ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করছে।'
বিহারে বিধানসভা ভোটের আগে শুরু হয়েছে ভোটার তালিকায় ‘বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা’ (এসআইআর)। সেখানে কারা প্রকৃত ভোটার, কাদের নাম তালিকায় থাকবে, তা নির্ধারন করা হচ্ছে কয়েকটি নির্দিষ্ট নথির ভিত্তিতে। তার মধ্যে রয়েছে রেসিডেন্স সার্টিফিকেটও। আর সেখানেই এই আজব কাণ্ড।
বিহারে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে পয়লা অগাস্ট। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর, যোগ্য ভোটারের নাম বাদ যাওয়া বা অযোগ্যদের নাম থেকে যাওয়া থেকে শুরু করে নতুন ভোটারের নাম তোলার জন্য পয়লা অগাস্ট থেকে পয়লা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ক্যাম্প করা হবে। সেখানে সংশ্লিষ্ট ERO-র কাছে আবেদন বা অভিযোগ জানানো যাবে। বিহারে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন নিয়ে সোমবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি রয়েছে।






















