Bendanga Violence : বেলডাঙায় এবার আক্রান্ত ABP আনন্দ ! প্রতিনিধিদের দিকে ছুটে এল মারমুখী জনতা, প্রাণ হাতে করে দৌড়
আজ, শনিবার বেলডাঙায়ও ফের আক্রান্ত হয় সংবাদমাধ্যম। এবার টার্গেট এবিপি আনন্দ।

পার্থপ্রতিম ঘোষ, রাজীব চৌধুরী, মুর্শিদাবাদ : প্রতিবাদের নামে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় অরাজকতা চলছে বেলডাঙায়। খবর করতে গিয়ে গিয়ে গতকাল ভয়াবহ আক্রমণের মুখে পডেছি়লেন জি ২৪ ঘণ্টার সাংবাদিক সোমা মাইতি ও তাঁর চিত্র সাংবাদিক রঞ্জিত মাহাতো। আর আজ, শনিবার বেলডাঙায়ও ফের আক্রান্ত হয় সংবাদমাধ্যম। এবার টার্গেট এবিপি আনন্দ। নিজেদের কাজ করছিলেন এবিপি আনন্দর সাংবাদিক পার্থপ্রতিম ঘোষ। কিন্তু হঠাৎই মারমুখী হয়ে ছুটে আসেন বিক্ষোভকারীরা। এবিপি আনন্দর চিত্রসাংবাদিক উজ্জ্বল ঘোষকেও মারধর করা হয়। বেলডাঙা থানার এত কাছে থাকা সত্ত্বেও কীভাবে আক্রান্ত হল সংবাদমাধ্যম, প্রশ্ন উঠছে। গতকালও জি ২৪ ঘণ্টার সাংবাদিক সোমা মাইতি ও তাঁর চিত্র সাংবাদিক রঞ্জিত মাহাতোর উপর রাস্তায় ফেলে লাথি, কিল, চড়, ঘুষি--- কিছুই বাদ যায়নি। কার্যত সামনে দাঁড়িয়ে নীরবে দেখেছে পুলিশ। আজ, শনিবারও আপর্যাপ্ত ছিল পুলিশকর্মীর সংখ্যা। সংবাদমাধ্যমকে আক্রান্ত হতে দেখেও তারা এগিয়ে আসেনি।
ঘটনাক্রম :
এদিন বেলডাঙার বড়ুয়া মোড়ে অবরোধের খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন এবিপি আনন্দর প্রতিনিধিরা। সেখানে পৌঁছন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর, অবরোধ তুলে বলেন। সেই সময় সেখানে ছিল হাতেগোনা কয়েকজন পুলিশ। সেই সময়ই এবিপি আনন্দ-র সাংবাদিক ও চিত্র সাংবাদিকের দিতে ধেয়ে আসে বিক্ষোভকারীরা। ক্যামেরা বন্ধ করার জন্য জবরদস্তি করতে থাকে। শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি। এমনকী, পুলিশকে তোয়াক্কা না করে ইট তুলে এবিপি আনন্দর প্রতিনিধিদের দিকে ইট তুলে ছুড়তে শুরু করে বিক্ষোভকারীরা। উত্তেজনা সামলাতে হিমশিম খায় হাতে গোনা কয়েকজন পুলিশ
কীভাবে বাঁচলেন তাঁরা ?
কোনওরকমে একটি টোটোয় উঠে এলাকা ছাড়তে যান চিত্রসাংবাদিক। কিন্তু স্থানীয় ওই টোটোচালক তাঁকে টোটোয় তুলতে চাননি। তখন একটি বাইকে চড়ে এলাকা থেকে বেরোন চিত্রসাংবাদিক উজ্জ্বল ঘোষ। সাংবাদিক পার্থপ্রতিম ঘোষ আশ্রয় নেন স্থানীয় এক বাসিন্দার বাড়িতে। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁকে হেনস্থা করে বিক্ষোভকারীরা। এরপর কোনওরকমে সেখান থেকে বেরিয়ে আরেকটি মোটরবাইকে করে এলাকা ছাড়েন এবিপি আনন্দর সাংবাদিক পার্থপ্রতিম ঘোষ।
শুক্রবারের পর শনিবারও মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় দিনভর কার্যত তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীরা। প্রশ্ন উঠছে, পুলিশ কোথায় ছিল? কী করল তারা? কেন এতক্ষণ রাস্তা অবরোধ রইল? কেন সক্রিয় দেখা গেল না তাদের? কেন এতক্ষণ পরস্থিতি উত্তপ্ত রইল? নানা মহলে উঠছে প্রশ্ন!






















