Alipurduar Tea Garden: বাড়তে পারে চা-এর দাম? নদীর জল ঢুকে বিপর্যস্ত চা বাগান, মাথায় হাত চা-শ্রমিক থেকে বাগান কর্তৃপক্ষের
Tea Price: খরস্রোতা নদীর তাণ্ডব শুধু থাবা বসায়নি চা বাগানে, থাবা বসিয়েছে ওদের পরিবারের অন্ন সংস্থানেও।

অরিন্দম সেন, আলিপুরদুয়ার: ফুঁসছে তোর্ষা। খরস্রোতা নদী পাড় ভেঙেছে আলিপুরদুয়ারের সুভাষিনী চা বাগান সংলগ্ন বাঁধের। নদীর জল ঢুকে বিপর্যস্ত চা বাগান। মাথায় হাত চা-শ্রমিক থেকে বাগান কর্তৃপক্ষের।
দুর্যোগে তছনছ হয়ে গেছে আলিপুরদুয়ারের সুভাষিনী চা বাগান। তোর্সার রুদ্ররূপে তলিয়ে গেছে চা বাগান সংলগ্ন বাঁধ। হুড়মুড়িয়ে জল ঢুকছে চা বাগানে। চা বাগানের একাংশ ইতিমধ্যেই তলিয়ে গেছে জলের তলায়। জমেছে পলিমাটি। নষ্ট হয়েছে জমি। মাথায় হাত পড়েছে চা বাগান কর্তৃপক্ষের।
সুভাষিনী চা বাগানের ম্যানেজার শীর্ষেন্দু বিশ্বাস বলেন, 'বাগানের পরিস্থিতি খুবই খারাপ। জল ঢুকে ৯০ হেক্টর জমি নষ্ট করে দিয়েছে। পুরো বাগানে পলি ভরে গেছে। অবস্থা খুবই খারাপ।' এদিকে, স্থানীয়দের অনেকেই যুক্ত এই চা বাগানের সঙ্গে।
খরস্রোতা নদীর তাণ্ডব শুধু থাবা বসায়নি চা বাগানে, থাবা বসিয়েছে ওদের পরিবারের অন্ন সংস্থানেও। চা বাগানের শ্রমিকের কথায়, 'বাগানের পরিস্থিতি খারাপ। বাঁধ ভেঙে চা বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা আবেদন করছি, আমাদের সাহায্য করুন।'
চা বাগানের আরেক শ্রমিকের কথায়, 'এখানে পরিস্থিতি এখন এমন যে চারা লাগালেও হবে না। এখানে বালি ও ডলোমাইট মিশে আছে। দ্বিতীয়বার এখানে হবে না। সরকারের কাছে আবেদন বাগানটা একটু দেখুন।'
ইতিমধ্যেই বাঁধ মেরামতির কাজ শুরু করেছে আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাসও মিলেছে। আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের সভাধিপতি স্নিগ্ধা শৈব বলেন, 'এই বাগানটাকে কীভাবে তৈরি করা যায় সেই ব্যাপারে আমাদের আলোচনা চলছে। দেখা যাক কত দ্রুত ছন্দে ফিরিয়ে আনা যায়।'
দুর্যোগ কাটলেও পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে? কবে আবার হাসি ফিরবে দুটি পাতা একটি কুড়ির দেশে?






















