Alipurduar News: লাল রঙের কাপড়ের ব্যাগ হস্তান্তর মাত্রই পর্দাফাঁস; ব্রাউন সুগার-সহ হাতেনাতে গ্রেফতার TMC নেতা-সহ ২ !
Brown Sugar Smuggling: অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় মাদকের ব্যাবসা করতেন বিষ্ণু। এমনকী এই অভিযোগও রয়েছে যে, বাড়ির সামনে অবস্থিত তৃণমূল কার্যালয়েই চলত মাদক সেবনের কাজ।

অরিন্দম সেন, আলিপুরদুয়ার : খবর পেয়ে সাদা পোশাকে হানা পুলিশের। ব্রাউন সুগার-সহ হাতেনাতে গ্রেফতার তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি ও মালদার বাসিন্দা এক যুবক। সোমবার গভীর রাতে শামুকতলা থানার পুলিশ আলিপুরদুয়ার-২ নং ব্লকের মাঝেরডাবড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে গ্রেফতার করে এই দুই অভিযুক্তকে। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৫২ গ্রাম ওজনের ব্রাউন সুগারের প্যাকেট , নগদ টাকা ও ওজন মাপার একটি যন্ত্র। ধৃতদের বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইনে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ঘটনার জেরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
কী ঘটনা ?
সোমবার রাতে খবর পেয়ে অভিযান চালায় শামুকতলা থানার পুলিশ। মাঝেরডাবড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১১/২৬৩ নং বুথ এলাকার বাসিন্দা ধৃত বিষ্ণু রায়ের বাড়ির পাশে অভিযান চালানো হয়। ধৃত বিষ্ণু রায় আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের একজন গ্রুপ-ডি কর্মী ও তৃণমূল পরিচালিত মাঝেরডাবড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ১১/২৬৩ নং বুথের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী তথা তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিও। বিষ্ণু রায় ও মালদার কালিয়াচকের বাসিন্দা যুবক চন্দন মণ্ডলের মধ্যে ব্রাউন-সুগার আদান-প্রদানের সময়ই হাতে-নাতে ধরে ফেলে শামুকতলা পুলিশের সাদা পোশাকের দল। চন্দনের লাল রঙের কাপড়ের ব্যাগের ভেতরে রাখা একটি টিফিন বক্স থেকে উদ্ধার করা হয় ৫২ গ্রাম ওজনের ব্রাউন সুগারের প্যাকেট ও নগদ টাকা। পাশাপাশি স্থানীয় অঞ্চল সভাপতির কাছ থেকেও উদ্ধার হয় ওজন মাপার একটি যন্ত্র। অভিযুক্ত দু'জনকেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন মালদা থেকে চন্দন নামের ওই মাদক পাচারকারী ট্রেনে করে নিউ আলিপুরদুয়ার স্টেশনে এসে পৌঁছায়। আগাম পাওয়া খবরের সুত্র ধরেই সাদা পোশাকে পুলিশ চন্দনের পিছু নেয়। সেই সময় নিজের বাড়ির সামনেই থাকা তৃণমূল কার্যালয়ের সামনে একটি ইলেকট্রনিক ওজন মাপার যন্ত্র নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন বিষ্ণু রায়। চন্দন বিষ্ণু রায়ের বাড়ির সামনে এসে সেই মাদক হস্তান্তর করা মাত্রই পুলিশ তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে।
অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় মাদকের ব্যাবসা করতেন বিষ্ণু। এমনকী এই অভিযোগও রয়েছে যে, বাড়ির সামনে অবস্থিত তৃণমূল কার্যালয়েই চলত মাদক সেবনের কাজ। যার নমুনা দেখা যায় কার্যালয়ে থাকা খাটের উপরে।
ধৃত চন্দন পুলিশের জেরায় অভিযোগ স্বীকার করেছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও বিষ্ণু রায় ও তাঁর পরিবার ড্রাগ সেবনের কথা স্বীকার করলেও, ব্যাবসার অভিযোগ মানতে নারাজ।
Before You Go
Bigmint India Ferrous Week 2026: রাজ্য়ে শিল্পের অগ্রগতির লক্ষ্যে জে ডব্লু ম্য়ারিয়টে শুরু হয়েছে 'বিগমিন্ট ইন্ডিয়া ফেরাস উইক ২০২৬





















