Bihar Hospital Incident: বিহারের হাসপাতালে শ্যুটআউট, আনন্দপুরে হদিশ খুনি গ্যাংয়ের, গেস্ট হাউস থেকে ১ মহিলা-সহ আটক আরও ৫
Bihar Hospital Shootout: আনন্দপুর থানার কাছেই গেস্ট হাউসে বিহারের দুষ্কৃতীদের ঘাঁটি! বিহারে গুলিকাণ্ডে রাজ্যে অভিযুক্তরা, পুলিশের জালে আরও ৫।

পার্থপ্রতিম ঘোষ, হিন্দোল দে, কলকাতা : বিহারের হাসপাতালে শ্যুটআউট, আনন্দপুরে হদিশ মিলল খুনি গ্যাংয়ের। আনন্দপুরের গেস্ট হাউস থেকে ১ মহিলা-সহ আরও ৫ জন আটক। গাড়ির সূত্র ধরেই শ্যুটার তৌসিফ রাজা ওরফে বাদশা-সহ আটক আরও ৫। উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা এক মহিলাকেও আটক করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে আনন্দপুর থানার পাশে একটি গেস্ট হাউসে ওঠে বিহারের কয়েদি খুনে অভিযুক্তরা, খবর পুলিশ সূত্রে। নিজেদের নামে ২টি AC রুমও বুক করে তারা, খবর পুলিশ সূত্রে। মূলত গাড়ির সূত্র ধরেই ওই গেস্ট হাউসের সন্ধান পায় পুলিশ। শনিবার কমান্ডো দিয়ে গেস্ট হাউস ঘিরে ফেলে অপারেশন চালায় কলকাতা পুলিশের STF। আটক তৌসিফ রাজা ওরফে বাদশা, হরিশ কুমার, ভীম কুমার, নেশু খান-সহ ৫ জনকে। নেশু আহত হওয়ায় SSKM হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের লালবাজারে জেরা করছে বিহার পুলিশের STF। খুনে ব্যবহৃত কোনও অস্ত্রই উদ্ধার হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আনন্দপুর থানার কাছেই গেস্ট হাউসে বিহারের দুষ্কৃতীদের ঘাঁটি! বিহারে গুলিকাণ্ডে রাজ্যে অভিযুক্তরা, পুলিশের জালে আরও ৫। আনন্দপুরের গেস্ট হাউস থেকে ১ মহিলা-সহ আরও ৫ জন আটক। বিহারের হাসপাতালে শ্যুটআউট, নিউটাউন-আনন্দপুরে আটক ১০! ১ মহিলা-সহ ৫ জনকে আটক করল কলকাতা পুলিশের STF, খবর সূত্রের। বিহার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতা পুলিশের STF-র অভিযান। রাত ৮টা নাগাদ আনন্দপুরের গেস্ট হাউসে অভিযান, আটক ৫। আটক মহিলাই বাকিদের গতকাল গেস্ট হাউসে আনে খবর পুলিশ সূত্রে। একজনের পায়ে আঘাত থাকায় অ্যাম্বুল্যান্সে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে, খবর সূত্রের। বিহার পুলিশের এসটিএফ এবং কলকাতা পুলিশের এসটিএফ- এর যৌথ অভিযান চলেছে।
বিহার থেকে গাড়ি নিয়ে সরাসরি কলকাতায় আসে আততায়ীরা। কলকাতা পুলিশের আনন্দপুর থানার গা-লাগোয়া, মাত্র ২৮০ মিটার দূরে একটি গেস্ট হাউসে গা-ঢাকা দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। এরা সকলেই পাটনার হাসপাতালের শ্যুটআউটকাণ্ডে জড়িত বলে অনুমান পুলিশের। গেস্ট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে ডকুমেন্ট দিয়েই তাদের বিল্ডিংয়ের চারতলায় ৩টে রুম বুক করেছিল আততায়ীরা। থানার পাশেই গেস্ট হাউসে এ ভাবে দুষ্কৃতীরা গা-ঢাকা দেওয়ার ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয়রা। একদিন পর পুলিশ হদিশ পেল আততায়ীদের, এই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। অন্যদিকে উল্লেখ্য আটক হওয়া মহিলা নাকি আগেও এসেছিলেন এই এলাকায়। কোন রুটে আততায়ীরা এসেছে, কোথায় কোথায় থেকেছে, পাটনার ঘটনায় তাদের কী কী ভূমিকা- সবই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
পাটনার হাসপাতালে যে ঘটনা ঘটেছে তার মাস্টারমাইন্ড ছিল তৌসিফ রাজা ওরফে বাদশা। আটক হয়েছে যে। হাসপাতালে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছিল বন্দুক প্রস্তুত করে আইসিইউতে ঢুকে গুলি চালিয়ে চন্দন মিশ্রকে খুন করার পুরো পরিকল্পনার পুরোধা ছিল এই তৌসিফ রাজা ওরফে বাদশা। দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের সিসিটিভিতে ধরা পড়েছিল একটি সাদা রঙের ৫ সিটের গাড়ি। এই গাড়ি দক্ষিণ কলকাতার একটি জায়গায় এসেছিল তাও দেখা গিয়েছিল সিসিটিভি ফুটেজে। এই গাড়ির সূত্র ধরেই নতুন ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, বিভিন্ন জায়গা ঘোরার পর আনন্দপুর থানার কাছেই গেস্ট হাউসে এসে উঠেছিল আততায়ীরা। আটক হওয়া মহিলা উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা। পাটনার হাসপাতালের শ্যুটআউটের ঘটনায় তার ভূমিকা কী ছিল, জানার চেষ্টা চলছে।






















