Shantiniketan Dol Yatra: দোলে জমজমাট ভিড়, রঙের উৎসবে মেতেছে শান্তিনিকেতন
Birbhum News: এর আগে শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি হাটে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে রং খেলা যাবে না বলে বনদফতরের দেওয়া নির্দেশিকা ঘিরে তৈরি হয় বিতর্ক।

ভাস্কর মুকোপাধ্যায়, বীরভূম: রঙের উৎসবে মেতেছে শান্তিনিকেতন। সোনাঝুরিতে বসন্তোৎসব উপলক্ষে সকাল থেকে ভিড় করেন আট থেকে আশি, সববয়সের মানুষজন। রাজ্যবাসীর পাশাপাশি জমজমাট দোলখেলায় অংশ নেন বিদেশি পর্যটকরাও।
বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। আজ রঙের উৎসব। আবিরে-রঙে বসন্তকে বরণ করে নেওয়ার পালা। সবার রঙে রং মেশানোর দিন। নাচে-গানে রঙিন আনন্দে রাঙিয়ে দেওয়ার দিন। দোল উপলক্ষে দিনভর নানা জায়গায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এর আগে শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি হাটে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে রং খেলা যাবে না বলে বনদফতরের দেওয়া নির্দেশিকা ঘিরে তৈরি হয় বিতর্ক। বীরভূম জেলা পুলিশ পরিকল্পনা করে সোনাঝুরিতে বসন্ত উৎসব বন্ধ করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। যদিও তারপরেই বীরভূম জেলা পুলিশের তরফে বিরোধী দলনেতার সেই অভিযোগ খারিজ করে জানানো হয়, সোনাঝুরিতে বসন্ত উৎসব ও হোলি উদযাপনে কোনও বাধা নেই।
গত সপ্তাহেই শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি হাটে বনদফতরের তরফে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় ব্যানার। বসন্ত উৎসবে সোনাঝুরির সংরক্ষিত বনাঞ্চলে রং খেলা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় বনদফতর। কিন্তু তাতেও লেগেছে ধর্মের রং। বিরোধী দলনেতা বলেছিলেন, "গোটা বাংলা জেনে গেছে এখানে হোলির উৎসব বন্ধ করার জন্য কাজ করছে পুলিশ। বলছে বিশেষ মাস এটা। এই মাসে আপনারা বেশি হোলি খেলবেন না। আর শুক্রবার। যেখানে যেখানে হোলি, দোল খেলবেন, সব ১০টার মধ্যে শেষ করে দিন। এটা কোন রাজ্যে আছি আমরা? এখানে কি শরিয়ত আইন চলে? এখানে সংবিধান চলে। যে যার ধর্ম পালনের অধিকার বাবা সাহেব আম্বেদকর সবাইকে দিয়েছেন।'' পাল্টা তৃণমূল বিধায়ক ও বনমন্ত্রী বলেন, "পরিবেশ রক্ষার জন্য বন্ধ করতে বলেছিলাম। বিজেপি এটাকে ধর্মীয় রঙ লাগিয়ে নোংরামি করছে।''
বীরভূম জেলা পুলিশের তরফেও ফেসবুকে পোস্ট করে জানানো হয়, বসন্ত উৎসব ও হোলি উদযাপন সম্পর্কে কোনও সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি। আমরা সকলকে ভুল তথ্য এড়িয়ে চলার অনুরোধ করছি এবং সঠিক আপডেটের জন্য শুধুমাত্র বিশ্বাসযোগ্য সূত্রের উপর নির্ভর করার আহ্বান জানাচ্ছি।
আরও পড়ুন: Toto New Rule: টোটো নিয়ন্ত্রণে নতুন নীতি, এবার ময়দানে নামলেন পরিবহনমন্ত্রী
ট্রেন্ডিং
সেরা শিরোনাম
