Birbhum News: নলহাটিতে মর্মান্তিক ঘটনা ! পাথর খাদানে ধস নেমে ৫ জনের মৃত্যু ! আহত ১
Nalhati Stone Quarry: বিভিন্ন জন জানিয়েছেন, ধসের জন্য এই ঘটনা ঘটেছে। যখন পাথর সরানোর কাজ চলছিল, সেই সময় উপর অংশের পাথরে ধস নামে।

নলহাটি : মর্মান্তিক ঘটনা। বীরভূমে পাথর খাদানে ধস নেমে ৫ জনের মৃত্যু ! আহত হয়েছেন একজন। নলহাটির বাহাদুরপুর পাথর খাদানে ধস নামে। খাদান থেকে পাথর সরানোর সময় ঘটে দুর্ঘটনাটি। গুরুতর আহত একজনকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বিস্তারিত...
দুপুর ২টো থেকে আড়াইটার মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে। কারণ, মূলত দুটি সময়ে পাথরে ব্লাস্ট হয়। একটি, সকালের দিকে। আর একটা দুপুরে। ১টা থেকে দেড়টার মধ্যে। তবে, বিস্ফোরণ থেকে, নাকি ধসে চাপা পড়ে মৃত্যু তা এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু, বিভিন্ন জন জানিয়েছেন, ধসের জন্য এই ঘটনা ঘটেছে। যখন পাথর সরানোর কাজ চলছিল, সেই সময় উপর অংশের পাথরে ধস নামে। সেই পাথর শ্রমিকদের উপর পড়ে। দুর্ঘটনায় মৃতদের দেহগুলি পাথরে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। সেখানে যাঁরা কাজ করছিলেন, স্থানীয় বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং পুলিশ পৌঁছে মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে। দুটি গাড়িতে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে এই পাথর খাদানটি সরকার পরিচালিত, নাকি বেসরকারি তা এখনও পরিষ্কার নয়। পুলিশ সুপার অবশ্য জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। কীভাবে এই ঘটনা তা এখনও পরিষ্কার নয়। যদিও চালকরা জানাচ্ছেন, পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যা পরিস্থিতি তাতে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
২০২২ সালে পাথর-খাদানে (Stone Quarry) ধস (Collapse) নেমে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল মিজোরামে (Mizoram)। জানা যায়, মৃতদের পাঁচ জন ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের (west bengal) বাসিন্দা, ২ জন ঝাড়খণ্ড ও ১ জন অসমের বাসিন্দা। পরে মুখ্যমন্ত্রী (CM) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Mamata Banerjee) ট্য়ুইটারে ওই ৫ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়ে শোকপ্রকাশ করেন। ওই ঘটনায় অন্তত ১২ জন শ্রমিক আটকে পড়েছিলেন বলে জানিয়েছিল সংবাদসংস্থা এএনআই। তাঁদের মধ্যে ৫ পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা ছাড়াও অসমের ৩ জন, ঝাড়খণ্ডের ২ জন ও মিজোরামের ২ জন বাসিন্দার কথা বলা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, এক বেসরকারি সংস্থার অধীন ওই পাথর খাদানের বড় অংশ ভেঙে পড়েছিল। বিপর্যয়ের সময় সেখানে কাজ করছিলেন অন্তত ১২ জন। সঙ্গে ছিল পাঁচটি এক্সক্যাভেটর-সহ একাধিক ড্রিলিং মেশিন। সব নিয়েই চাপা পড়ে যান তাঁরা।






















