Suvendu On John Barla: জন বার্লাকে আইনি নোটিস শুভেন্দুর ! '৭ দিনের মধ্যে প্রকাশ্যে নিঃশর্তে ক্ষমা চাইতে হবে..'
Suvendu Case Filed Against John Barla: তৃণমূলে যোগ দিয়েই শুভেন্দুর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন জন বার্লা, এবার পাল্টা মানহানির অভিযোগে জন বার্লাকে আইনি নোটিস শুভেন্দুর

কলকাতা: বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েই শুভেন্দুর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন জন বার্লা। আর এবার পাল্টা মানহানির অভিযোগে জন বার্লাকে আইনি নোটিস দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। জন বার্লাকে সাতদিনের মধ্যে প্রকাশ্যে, নিঃশর্তে তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা।
আরও পড়ুন, প্রথম বেআইনি কাজটা আন্দোলনকারীদের তরফেই হয়েছে, সব্যসাচী দত্ত ইস্যুতে প্রতিক্রিয়া পুলিশের
গতকাল অলিপুরদুয়ারের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী, যাঁকে দল পুনরায় মনোনয়ন না দেওয়ায় উনি দল বদল করে চোরেদের দলে নাম লিখিয়েছেন, বিনিময়ে ওনার নতুন দলের মালিক, যাঁকে আমি ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে ১৯৫৬ ভোটে পরাজিত করেছিলাম, ওনাকে খুশি করতে আমার বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ ছাড়া উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে সমপূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। তিনি আগে থেকে আই-প্যাক এর লিখে দেওয়া চিত্রনাট্য মুখস্থ করে সর্বসমক্ষে আউড়েছেন। প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে, তিনি জন বার্লার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন বলেও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।
দলবদলের পরই এবার সমমুখসমরে জন বার্লা এবং শুভেন্দু অধিকারী!বৃহস্পতিবার, বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়ে শুভেনদু অধিকারীর বিরুদ্ধে উন্নয়নে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন জন বার্লা।তৃণমূলে যোগ দিয়েই বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ জন বার্লা বলেন, রেলের জমিতে ১০০ শতাংশ অনুদান নিয়ে, ১৬০ কোটির হাসপাতাল তৈরি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু বর্তমান বিরোধী দলনেতা, উনি যেভাবে আটকেছেন আমাদের উন্নয়ন! রেল জমিও বেছে দিয়েছিল। শুধু মউ স্বাক্ষর বাকি ছিল।এখান থেকে মন্ত্রকে ফোন গেল আর আমাকে আটকে দেওয়া হল।এরপরই মানহানির অভিযোগে জন বার্লাকে আইনি নোটিস দেন শুভেনদু অধিকারী। বিরোধী দলনেতা এক্স পোস্টে লেখেন,আমার বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ ছাড়া উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে সমপূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। আমি জন বার্লাকে মেল পাঠিয়ে দিয়েছি। উনি যা যা বলেছেন, ওনাকে প্রমাণ করতে হবে। প্রমাণ না করলে ওনার সঙ্গে আমার আদালতে দেখা হবে। একে কী করে আদালতে নিয়ে আসতে হয়, হাতজোড় করে ক্ষমা চাওয়াতে হয় সেটা শুভেন্দু অধিকারী জানে। আইনি লড়াইয়ের মাধ্য়মে করব।'
তৃণমূলে যোগ দিয়েই জন বার্লা বলেন, উনি(শুভেন্দু অধিকারী) যদি আইনি নোটিস পাঠায় আমিও আইনি নোটিসে জবাব দেব। আমাকে তো হেনস্থা করছেন উনি (শুভেন্দু অধিকারী)। একজন আদিবাসী হওয়ার দরুণ 'আদিবাসী অ্যাট্রোসিটি অ্যাক্ট'-এ আমিও কেস করতে পারি। কিন্তু ওর মধ্যে আমি যাব না।'






















