Abhijit Sarkar News: কাঁকুড়গাছির বিজেপি কর্মী অভিজিৎ 'খুনে' তৎকালীন OC- সহ ৪জনের জেল হেফাজতের নির্দেশ
Abhijit Sarkar Murder Case: তিন জন পুলিশ অফিসার, যার মধ্যে একজন ইতিমধ্যেই চাকরি অবসরপ্রাপ্ত, যদিও শেষ রক্ষা হল না, কাঁকুড়গাছির বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার খুনের মামলায় কী নির্দেশ আদালতের ?

প্রকাশ সিনহা, কলকাতা: কাঁকুড়গাছির বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার খুনের মামলায় তৎকালীন নারকেলডাঙা থানার ওসি সহ ৪ জনকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত, জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে ব্যাঙ্কশাল আদালত।
আরও পড়ুন, যানজটের আশঙ্কা, ২১ জুলাই কলকাতার একাধিক স্কুল বন্ধ, রইল বিস্তারিত খবর
তিন জন পুলিশ অফিসার, যার মধ্যে একজন ইতিমধ্যেই চাকরি অবসরপ্রাপ্ত। যে সময় এই ঘটনা ঘটেছিল, ২০২১ সালে, তখন শুভজিৎ সেন নারকেলডাঙা থানার অফিসার ইনচার্জ ছিলেন। এবং আরও দুইজন অফিসার রত্না সরকার এবং দীপঙ্কর দেবনাথ , আজকে কোর্টে এসে আত্মসমর্পণ করেন। মূলত, কাঁকুড়গাছিতে বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার খুনের মামলায় তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। কয়েকদিন আগেই দেখা গিয়েছিল সিবিআই ১৮ জনের নামে, চার্জশিট জমা করা হয়েছিল। তার মধ্যেই এই তিন জন পুলিশ কর্মীরা বাদ ছিলেন। এদিন আদালতে এসে জানালেন যে, এদেন মধ্যে একজন ইতিমধ্যেই অবসর নিয়েছেন। কিন্তু এই চারজন পুলিশ অফিসারকেই আজকে জেলে যেতে হচ্ছে বলে জানিয়ে দেয় আদালত। এবং তাঁদের আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত জেলে থাকতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিধানসভা ভোট পরবর্তী হিংসায়, কাঁকুড়গাছির বিজেপির কর্মী অভিজিৎ সরকার খুনের মামলায় তৎকালীন OC, SI এবং হোমগার্ডকে জেলে পাঠাল বিশেষ সিবিআই আদালত। জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে তৃণমূল কর্মী সুজাতা দে কেও। বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার দিনই খুন হয়েছিলেন কাঁকুড়গাছির বাসিন্দা, বিজেপির শ্রমিক সংগঠনের সক্রিয় সদস্য অভিজিৎ সরকার। ৪ বছর পর সেই মামলাতেই নারকেলডাঙা থানার তৎকালীন OC শুভজিৎ সেন, তৎকালীন সাব ইনস্পেক্টর রত্না সরকার এবং হোমগার্ড দীপঙ্কর দেবনাথকে জেল হেফাজতে পাঠাল CBI- এর বিশেষ আদালত। এই মামলায় তৃণমূল কর্মী সুজাতা দে-কেও ৩১ জুলাই পর্যন্ত জেলে পাঠিয়েছে আদালত। মৃত বিজেপি কর্মীর দাদা বিশ্বজিৎ সরকার বলেন, একটা খুন হবার পরেই যেই থানার ওসির নামে অভিযোগ তাঁকে কাস্টডি নেওয়া হল না, তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কলকাতা পুলিশ থেকে তখন তো কলকাতা পুলিশ ছিল CBI ছিল না, তারা কোনও পদক্ষেপ করল না। উল্টে তাঁকে পদোন্নতি দিয়ে দিল। এরা খুনের সঙ্গে যুক্ত।
এই ইস্যু বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, 'তৃণমূলের হয়ে যে সকল পুলিশ কর্মীরা এখনও, সংবিধান না মেনে, তৃণমূলের কথা শোনেন,সেই সমস্ত পুলিশের কাছে কিন্তু এটা শিক্ষণীয় বিষয়।'






















