District Road Condition: মেয়াদ শেষ পুরসভার, বেহাল রাস্তা নিয়ে সমস্যা! বেলচা হাতে রাস্তায় নামলেন বিজেপি কর্মীরা
News Update: অভিযোগ, দুর্গাপুর নগর নিগমে দীর্ঘদিন ভোট হয়নি। আর সেই কারণেই, এলাকার তৃণমূল কাউন্সিলর ও কাজ নিয়ে উদাসীন ছিলেন

মনোজ বন্দ্যোপাধ্যায়, পশ্চিম বর্ধমান: বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে, বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রকাশ্যে আসছে বিভিন্ন অসন্তোষ, বিভিন্ন অসুবিধার কথা। বছর ৪ হল, পুরসভার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে দুর্গাপুরে। এর ফলে, এলাকার যাবতীয় কাজ বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। পুরসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে, বেহাল হয়ে পড়েছিল দুর্গাপুরের মায়া বাজার সংলগ্ন নিউ মার্কেট এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। এর ফলে, মানুষের চলাচলের ক্ষেত্রে তৈরি হচ্ছিল প্রবল সমস্যা। পাশাপাশি বাড়ছিল দুর্ঘটনা ও। আর বৃষ্টি শুরু হওয়ার পরেই, সমস্যা বাড়ছে, হচ্ছে দুর্ঘটনাও। জমা জলে বাড়ছে বিপদ ও। নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে, নির্বাচনের পরে রাস্তা সারানো হবে। আর ভোটের পরে, সেই রাস্তা সংস্কারের কাজে হাত দিল বিজেপি নেতৃত্ব। দলের জেলা মুখপত্র সুমন্ত মন্ডল সহ রবিবার সকাল থেকে সেই বেহাল রাস্তার প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শুরু করল বিজেপি কর্মীরা। হাতে বেলচা নিয়ে কাজে সামিল বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।
বেহাল রাস্তা, রাস্তা সারাইয়ের কাজে হাত দিল বিজেপি কর্মীরা
দুর্গাপুর নগর নিগমের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে পড়ে, মায়া বাজার নিউ মার্কেট এলাকা। অভিযোগ, দুর্গাপুর নগর নিগমে দীর্ঘদিন ভোট হয়নি। আর সেই কারণেই, এলাকার তৃণমূল কাউন্সিলর ও কাজ নিয়ে উদাসীন ছিলেন। এই রাস্তা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ, ফলে সাধারণ মানুষের চলাচলে ভীষণ অসুবিধা হত। সেই রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হওয়াতে খুশী এলাকার মানুষ। বিজেপি কর্মীদের এই কাজকে সমর্থন করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের নেতা উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায় বলছেন, বহুমত নিয়ে এই সরকার বাংলায় ক্ষমতায় এসেছে, সুতরাং কাজের সুযোগ দিতে হবে বিজেপিকে।
সীমান্ত সুরক্ষায় রাজ্যের বড় পদক্ষেপ
নির্বাচনী প্রচারের সময় থেকেই বারে বারে, সীমান্ত সুরক্ষার ওপর জোর দিয়েছে বিজেপি। সময় গড়িয়েছে, বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার সরকার গঠন করেছে বিজেপি। আর ক্ষমতায় আসার পরেই সুরক্ষা নিয়ে রাজ্যের নিয়মনীতি নিয়ে একের পর এক কঠোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বিজেপি। আর এবার, সীমান্ত সুরক্ষা আর উন্নয়নের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি। সীমান্ত সুরক্ষা ও উন্নয়ন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। NHIDCL-কে হস্তান্তরের সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিল রাজ্য সরকার। জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের কাছে আটকে ছিল কেন্দ্রের এই প্রস্তাব। সরকার বদলের পরেই, সীমান্ত সুরক্ষা ও উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে এই হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার।
আরও পড়ুন: Mango Farming: ফ্রুট ব্যাগিং-এই লক্ষ্মীলাভ! বিশেষ এই পদ্ধতিতেই মজেছেন মালদার আম চাষীরা!
Before You Go
West Bengal Assembly News: সমাজবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কড়া আইন, আজ বিধানসভায় গুন্ডা দমন বিল পেশ






















