SIR: লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল না কমিশন
SIR Updates: শুনানিতে ১০-১৫ শতাংশ ভোটার অনুপস্থিত, জানিয়েছে কমিশন সূত্র। অনুপস্থিতরা শুনানি পর্ব সারতে পারেন, তবে অফিসিয়ালি নোটডাউন করতে হবে।

কলকাতা: আজই ডেডলাইন, এখনও প্রকাশিত হল না লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা। লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল না কমিশন। আজ রাতেও প্রকাশিত হতে পারে, তার পরও হতে পারে, খবর CEO অফিস সূত্রে। সুপ্রিম কোর্ট তালিকা প্রকাশের কোনও তারিখ দেয়নি, দাবি CEO অফিস সূত্রে। 'কমিশনের তরফে বলা হয়েছিল, ২৪ জানুয়ারি তালিকা প্রকাশ করতে পারি', রাজ্যের CEO অফিস সূত্রে এমনই দাবি CEO অফিস সূত্রে। এখন দেখার জল কতদূর গড়ায়।
লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির সংখ্যা হতে চলেছে ১ কোটি ২০ লক্ষ। ৩১ থেকে ৩২ লক্ষ হতে পারে আনম্যাপড, খবর কমিশন সূত্রে। শুনানিতে ১০-১৫ শতাংশ ভোটার অনুপস্থিত, জানিয়েছে কমিশন সূত্র। অনুপস্থিতরা শুনানি পর্ব সারতে পারেন, তবে অফিসিয়ালি নোটডাউন করতে হবে। 'কমিশনের তালিকাভুক্ত ১৩ টি নথির বাইরে অন্য নথির মান্যতা নয়', অন্য নথি দিলে চূড়ান্ত তালিকায় নাম বাদ পড়বে, খবর কমিশন সূত্রে। ভাঙড়ে ৫৪ হাজারের যে তালিকা বেরিয়েছে, তার জন্য জেলাশাসকের রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, SIR শুনানি নিয়ে নতুন নির্দেশিকা কমিশনের। তাদের তরফে জানানো হয়েছে, শুনানির দিনেই 'হিয়ারিং হেল্ড' কলামে শুনানির রিপোর্ট আপলোড করতে হবে। আনম্যাপড ও লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির নথি শুনানির দিনই আপলোড করতে হবে। বকেয়া থাকলে সেগুলি ২৬ জানুয়ারির মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। যাচাইকৃত নথি DEO-দের থেকে ফেরত পেলে দ্রুত নিষ্পত্তির আদেশ জারি করতে হবে। মামলার নিষ্পত্তির রিপোর্ট একই দিনে ECINET-এ আপলোড করতে হবে। নাম বাদ পড়লে তাঁরা যেন আবেদন করার সুযোগ পান, নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন।
এদিকে, বিএলওদের কড়া নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার দায়িত্বে যেন কোনও গাফিলতি না থাকে, তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধি আইন অনুযায়ী DEO-র সম্মতিতে নির্বাচন কমিশনের আওতায় কাজ করেন BLO-রা। কমিশনের নির্দেশ অমান্য করা বা এমন কোনও কার্যকলাপ সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ উঠলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন জেলা নির্বাচনী আধিকারিক অর্থাৎ DEO । নির্দেশ অনুযায়ী অভিযুক্ত BLO-কে সাসপেন্ড করতে পারবেন DEO। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের সুপারিশও করতে পারবেন তিনি। কমিশনের স্পষ্ট বার্তা, কর্তব্যে অবহেলা প্রমাণিত হলে সাসপেনশন থেকে শুরু করে FIR করা হবে।























