Dimagi Naxal Party : 'দিমাগি নকশাল পার্টি' নিয়ে তুঙ্গে চর্চা, এই সোশ্যাল হ্যান্ডেলের নেপথ্যে কে? আসছে রাজনৈতিক দলও?
কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাজারো ফলোয়ার, পোস্ট, রিঅ্যাকশন। এটা কী শুধুই সোশ্যাল-বিপ্লব ? নাকি ককরোচ-জনতা-পার্টির মতোই কোনও সংগঠনের অঙ্কুরোদ্গম ?

নয়াদিল্লি:‘দিমাগি নকশাল’ - স্বাধীনতা দিবসের পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যতম ট্রেন্ডিং শব্দবন্ধ। তৈরি হয়েছে হ্যাশট্যাগ। পোস্ট হচ্ছে শয়ে - শয়ে। ৮০ তম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর ভাষণে ‘দিমাগি নকশাল’শব্দটি ব্যবহার করেন। বলেন, অস্ত্রধারী নকশালদের নির্মূল করা গেলেও সমাজ থেকে ‘দিমাগি নকশাল’ বা নকশাল-মনস্কদের বিচ্ছিন্ন করার সময় এসেছে। তাঁর এই মন্তব্যেই যাবতীয় বিতর্কের শুরু। এই আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় আত্মপ্রকাশ করেছে ‘Dimagi Naxal Party’ । কারা এরা ? কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাজারো ফলোয়ার, পোস্ট, রিঅ্যাকশন। এটা কী শুধুই সোশ্যাল-বিপ্লব ? নাকি ককরোচ-জনতা-পার্টির মতোই কোনও সংগঠনের অঙ্কুরোদ্গম ?
Gen Z-র ভাষা, মিম, ব্যঙ্গ এবং রাজনৈতিক বার্তার মিশেলে তৈরি এই প্ল্যাটফর্ম ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নজর কেড়েছে। প্ল্যাটফর্মটির সোশ্যাল মিডিয়া পেজে রয়েছে নানা গ্রাফিক্স কার্ড, রিল, কবিতা, কৌতুক, ব্যাঙ্গাত্মক কমেন্ট। তাদের Instagram হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে লেখা হয়েছে, “When someone says Dimaagi Naxal, all I hear is intellectual baddie!” ‘Dimagi Naxal Party’-র X হ্যান্ডেল @DNJP_India-তে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৪ হাজার ফলোয়ার তৈরি হয়েছে বলে নেটিজেনরা প্রচার চালাচ্ছে। আবার কেউ কেউ নিজেদের X অ্যাকাউন্টে নামের আগে ‘Dimagi Naxal’ শব্দবন্ধটা ব্যবহার করতে শুরু করেছে। কিন্তু কে তৈরি করল এই পেজ? সেটা প্রকাশিত নয়।
শুধু সোশ্যাল মিডিয়াতেই আটকে নেই এই উদ্যোগ। অনেক নামি ব্যক্তিও এই পেজটি নিয়ে কথা বলতে শুরু করেছেন। এই শব্দবন্ধ নিয়ে তো বহু বিরুদ্ধ আলোচনা চলছেই। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে নিজেকে ‘proud dimagi Naxal’ বলেছেন। অভিনেতা প্রকাশ রাজও একটি Reel তৈরি করে নেটিজেনদের ‘দিমাগি’ হওয়ার আহ্বান জানান। তবে চুল করে বসে নেই বিজেপিও। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু স্পষ্ট করে দিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘দিমাগি নকশাল’ মন্তব্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে উদ্দেশ্য করে করা হয়নি। রিজিজুর দাবি, ‘দিমাগি নকশাল’ বলতে তিনি এমন ব্যক্তিদের বুঝিয়েছেন, যাঁরা মাওবাদীদের সমর্থন করেন এবং সংবিধান মানতে অস্বীকার করেন, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পাশে দাঁড়ান ও ৩৭০ অনুচ্ছেদকে সমর্থন করেন অথবা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে দেশের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার দাবিতে গলা মেলান।
‘Dimagi Naxal Party’র পিছনে কে, তাদের আগামী লক্ষ্য কী, তারা কী কোনও রাজনৈতিক বা সামাজিক প্ল্যাটফর্ম বানাতে চান, এই প্রশ্নগুলির উত্তর এখনও অজানা।






















