Sona Pappu: সোনা পাপ্পুর চার্জশিটে বিস্ফোরক তথ্য় ED-র, "বেআইনি নির্মাণ যাতে হয় সেই জন্য ২২ সালে.."
ED on Sona Pappu Chargesheet : সোনা পাপ্পুর চার্জশিটে বিস্ফোরক তথ্য় ED-র। কী উল্লেখ করা হয়েছে সেখানে ?

কলকাতা: সোনা পাপ্পুর চার্জশিটে বিস্ফোরক তথ্য় ED-র। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, 'বেআইনি নির্মাণ যাতে হয় সেই জন্য ঘুষ বাবদ টাকা পাঠিয়েছে সোনা পাপ্পু। ২০২২ সালে ১৯ কোটি ৪৯ লক্ষ টাকা খরচ করে সোনা পাপ্পু। যার মধ্যে ৩ কোটি ৪১ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা ঘুষ দেয়।
আরও পড়ুন, ফিরল লাল সতর্কতা, ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গেই ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস আজ রাজ্যের এই জেলাগুলিতে
কসবা থানার আধিকারিক, কলকাতা পুরসভার আধিকারিক, তৃণমূল কাউন্সিলরকে টাকা পাঠিয়ে সোনা পাপ্পু। পুলিশকে দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকা। পুজোর ডোনেশন ও পার্টি ফান্ডের টাকা দিয়েছে সোনা পাপ্পু। তৃণমূল কাউন্সিলরকে দেওয়া হয়েছে ১কোটি ১১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। কলকাতা পুরসভা আধিকারিকদের দেওয়া হয়েছে ২ লক্ষ ২৭ হাজার টাকা। ডোনেশন বাবদ দেওয়া হয়েছে ৫৫ লক্ষ ৯১হাজার টাকা'। জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণ মামলায় শুক্রবার ইডির দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। গ্রেফতারির ৬০ দিনের মাথায় কসবার সিন্ডিকেট মাফিয়া সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দারের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে।
সাড়ে ৩ মাসের লুকোচুরি শেষে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিল সোনা পাপপু। তোলাবাজি, জমি দখলের মামলায়, প্রায় ৯ ঘণ্টা জেরার পর, তাঁকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এবংজেরার পর বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই ফেব্রুয়ারি মাসে কাঁকুলিয়ায় বোমা-গুলিকাণ্ডে সোনা পাপ্পুর , তারপর থেকেই তিনি উধাও হয়ে যায়। এদিকে সেই সময়ে ফেসবুকে অ্যাকটিভ থাকলেও,পুলিশি অভিযানে তখন তাঁর খবর মেলেনি । পরে রাজ্য়ে পালাবদলের পর আচমকা নিজে থেকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে হাজির হন সোনা পাপপু।
ইডি সূত্রে পূর্বে দাবি ছিল, ত্রিভূজ মডিউলে এই সিন্ডিকেট চলত। যার অংশ ছিলেন ব্য়বসায়ী জয় এস কামদার কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস এবং সোনা পাপপু। যদিও ইতিমধ্যেই তিনজনই ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সূত্রে দাবি ছিল, খুঁজে খুঁজে প্রবাসী, প্রবীণ নাগরিকদের টার্গেট করত এই সিন্ডিকেট। প্রথমে জমি বিক্রেতাদের সব শর্ত মেনে চুক্তি করত কামদারের মতো ব্যবসায়ীরা। পরে চুক্তি অনুযায়ী টাকা দেওয়া হত না। উল্টে বিক্রেতাদের বিরুদ্ধেই থানায় অভিযোগ জানান প্রোমোটার।তখনই ময়দানে নামেন পুলিশকর্তা শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। তাঁর নির্দেশে থানায় ডেকে এনে চাপ দেওয়া হত বিক্রেতাদের। সেই সঙ্গে সমানতালে হুমকি-ধমক দিত সোনা পাপ্পুর মতো দুষ্কৃতীরা।






















