Coochbehar: প্রবল বৃষ্টিতে কোচবিহারের নদীতে ভাঙন, নদীগর্ভে বাড়িঘর, কৃষিজমি
River Erosion: নদীগর্ভে বাড়িঘর, কৃষিজমি। গতকাল এলাকা পরিদর্শনে যান তুফানগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক মালতি রাভা রায়। ভাঙনের জন্য রাজ্যের শাসকদলকে নিশানা করেছেন তিনি।
![Coochbehar: প্রবল বৃষ্টিতে কোচবিহারের নদীতে ভাঙন, নদীগর্ভে বাড়িঘর, কৃষিজমি Erosion in Dhadial river in Coochbehar due to heavy rains Coochbehar: প্রবল বৃষ্টিতে কোচবিহারের নদীতে ভাঙন, নদীগর্ভে বাড়িঘর, কৃষিজমি](https://feeds.abplive.com/onecms/images/uploaded-images/2022/06/30/93621385ed18e08de634085024264f67_original.jpg?impolicy=abp_cdn&imwidth=1200&height=675)
শুভেন্দু ভট্টাচার্য, কোচবিহার: কোচবিহারে (Coochbehar) গত কয়েকদিন ধরেই প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তুফানগঞ্জের নাককাটিগাছ গ্রাম পঞ্চায়েতের ধাদিয়াল এলাকায় গদাধর নদীতে ভাঙন। নদীগর্ভে বাড়িঘর, কৃষিজমি। গতকাল এলাকা পরিদর্শনে যান তুফানগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক (BJP) মালতি রাভা রায়। ভাঙনের জন্য রাজ্যের শাসকদলকে নিশানা করেছেন তিনি। বিধায়ক তাঁর দায়িত্ব কীভাবে পালন করছেন, পাল্টা প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল শিবির।
নদীগর্ভে বাড়িঘর, কৃষিজমি: বর্ষা আসে, বর্ষা যায়। শুধু বদলায় না ছবিটা। বছরের পর বছর ধরে নদীতে ভাঙনের ঘটনা অব্যাহত। ভারী বৃষ্টি, প্লাবনের জেরে নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে বাড়ি। মাথার উপরের আশ্রয় টুকু চলে গিয়েছে। এমনকী নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছে কৃষিজমিও। সাধারণের মানুষেক দুঃখ-দুর্দশার এই আবহেই তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা। অন্যদিকে, ধরলা নদীর জল বাড়ায় প্লাবিত দিনহাটার গীতালদহে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের জারি ধরলা, দড়িবস-সহ একাধিক গ্রাম। আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন নদীর বুকে দ্বীপের মতো জেগে থাকা গ্রামগুলোর বাসিন্দারা।
এক নাগাড়ে ভারী বৃষ্টি উত্তরঙ্গের বিভিন্ন জায়গায়: মাঝ আষাঢ়ে দক্ষিণবঙ্গে (South Bengal) যখন বৃষ্টির জন্য হাপিত্যেশ। উত্তরবঙ্গে (North Bengal) তখন পুরো উল্টো ছবি। নাগাড়ে ভারী বৃষ্টি হয়েই চলেছে সেখানে। তার জেরে ঘোরাল হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, ১ জুন থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে বাড়তি বৃষ্টি হয়েছে ৫৮ শতাংশ। টানা ২ দিনের বৃষ্টিতে ফুঁসছে কোচবিহারের তুফানগঞ্জের সংকোশ নদী। তুফানগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের ছিটবড়লাউকুঠি গ্রামে সংকোশ নদীর জল বেড়ে প্লাবিত হয়েছে বহু এলাকা।
এদিকে সিকিম ও ভুটান পাহাড়ে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের জেরে জেলার তিস্তা ও জলঢাকা নদী এমনিতেই ফুঁসছে। তিস্তা নদীর অসংরক্ষিত এলাকায় লাল সঙ্কেত জারি করেছে সেচ দফতর। এই প্রবণতা বজায় থাকলে পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে, তা নিয়ে আশঙ্কা বাড়ছে জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri)। পরিস্থিতির কীভাবে মোকাবিলা করা হবে, তা নিয়ে মঙ্গলবার বৈঠক করে শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও অনগ্রসর কল্যাণ দফতর। অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন উত্তর দিনাজপুরের (North Dinajpur) ইসলামপুর। কোথাও বাড়িতে ঢুকল জল। কোথাও আবার জলের তোড়ে ভাঙল রাস্তা। প্রবল সমস্যায় পড়েছেন বাসিন্দারা। জল জমেছে ইসলামপুর পুরসভার ১০ ও ১৪-সহ একাধিক ওয়ার্ডে। বাড়িতেও ঢুকেছে জল। বুধবার সকালে সন্তানদের স্কুলে পৌঁছতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন অভিভাবকরা।
আরও পড়ুন: Anandapur Accident: বেপরোয়া বাইকের সঙ্গে পুলকারের সংঘর্ষ, আনন্দপুরে আহত ৩
ট্রেন্ডিং
সেরা শিরোনাম
![ABP Premium](https://cdn.abplive.com/imagebank/metaverse-mid.png)