Dumdum Station: চলল বুলডোজার, জনবহুল দমদম স্টেশন থেকে যাবতীয় বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ!
Eviction Drive: দমদম স্টেশনের বাইরে দীর্ঘদিন থেকেই বেআইনি দখল চলে আসছে। এর ফলে, অন্যতম ব্যস্ত এই স্টেশনের রাস্তা যথেষ্ট সরু হয়ে গিয়েছে।

কলকাতা: রাস্তায় রাস্তায় চলছে বুলডোজার, বিভিন্ন জায়গায় উচ্ছেদ করা হচ্ছে বেআইনি নির্মাণ। আর এবার একাধিক স্টেশনের পাশাপাশি, দমদম স্টেশনের বাইরেও চলল বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ। দমদম স্টেশনের ভিতরে ও বাইরে চলল অভিযান। ফাঁকা করে দেওয়া হল প্ল্যাটফর্ম ও স্টেশন চত্বর। নিয়ে আসা হয় বুলডোজার।
কেন দমদম স্টেশন থেকেই বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ?
দমদম স্টেশনের বাইরে দীর্ঘদিন থেকেই বেআইনি দখল চলে আসছে। এর ফলে, অন্যতম ব্যস্ত এই স্টেশনের রাস্তা যথেষ্ট সরু হয়ে গিয়েছে। সাধারণ মানুষের যাতায়াত করতে এতে যথেষ্ট অসুবিধা হত। এদিন রাতে দমদম স্টেশনের বাইরে নিয়ে আসা হয় বুলডোজার। বেআইনি সমস্ত নির্মাণ ভেঙে ফেলা হয়। সরকারের আশা, বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ হলে সাধারণ মানুষদের যাতায়াতের সুবিধা হবে। তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও হাওড়া আর শিয়ালদহের মতো জনবহুল স্টেশনে চলেছে বুলডোজার। খালি করে দেওয়া হয় সমস্ত বেআইনি নির্মাণ। তবে এবার, দমদম স্টেশনের মতো জনবহুল স্টেশনে সমস্ত বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ। দমদম স্টেশন এতটা জনবহুল হওয়ার কারণে, এখানে পাশাপাশি রয়েছে রেললাইন আর মেট্রো। কলকাতা শহরের এই একটি জায়গাতেই পাশাপাশি রয়েছে মেট্রো স্টেশন ও রেললাইন। এর ফলে এই একই স্টেশন, একই রাস্তা ব্যবহার করেন রেল ও মেট্রোর যাত্রীরাও। পাশাপাশি, দমদম স্টেশন থেকে একাধিক রুটের অটো ছাড়ে। এর ফলে, ট্রেন থেকে নেমে অটো ধরার জন্যও অনেকে রওনা দেন। পাশাপাশি, এই স্টেশন থেকে বেরিয়ে রয়েছে বাস রুটও। সেই কারণেই দমদম অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি স্টেশন। সেই কারণেই তড়িঘড়ি উচ্ছেদ করে দেওয়া হয়, যাবতীয় বেআইনি দখলদারি।
একেবারে উল্টো ছবি যাদবপুরে
অন্যদিকে, একেবারে উল্টো ছবি দেখা গেল যাদবপুরে। যাদবপুর স্টেশনে গিয়ে হকারদের সঙ্গে কথা বলেন, বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় (Sarbori Mukherjee)। ডিআরএমের সঙ্গে আলোচনা করেছেন, যাদবপুরের বিজেপি বিধায়ক। এখনও যাদবপুর স্টেশনে কার্যকর হচ্ছে না বেআইনি দখলদার উচ্ছেদ, দাবি বিধায়কের। এদিন শর্বরী মুখোপাধ্যায় বলেন, 'বিকল্প কি হতে পারে সেটাও রেলের সঙ্গে আলোচনা করব। গত ১৫ বছরে কোনও হকার যদি তৃণমূল নেতাকে টাকা দিয়ে বসে থাকেন। কত টাকা নিয়েছিলেন, কে দিয়েছিলেন সেটা রেল পুলিশকে জানাতে হবে।'






















