Fake Voter: বাংলাদেশের অগস্ট আন্দোলনের মুখ নিউটন ভারতের ভোটার !
Fake Voter: বাংলাদেশে অগাস্ট আন্দোলনে অন্যতম মুখ ছিলেন অভিযুক্ত নিউটন দাস। বাংলাদেশের আন্দোলনে নিউটনের যোগ দেওয়ার ছবি ভাইরাল। এই নিউটনই আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের ভোটার।

গৌতম মণ্ডল, কাকদ্বীপ : বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের মুখই এ দেশের ভোটার! দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে বাংলাদেশি ভোটারের খোঁজ। বাংলাদেশে অগাস্ট আন্দোলনে অন্যতম মুখ ছিলেন অভিযুক্ত নিউটন দাস। বাংলাদেশের আন্দোলনে নিউটনের যোগ দেওয়ার ছবি ভাইরাল। নিউটন স্বামী বিবেকানন্দ গ্রাম পঞ্চায়েতের সুভাষনগরের ভোটার। নিউটন দাস বাংলাদেশেরও ভোটার, স্বীকার দাদা তপন দাসের। কিছু দিন আগেও কাকদ্বীপের সুভাষনগরে থাকতেন, জানিয়েছেন দাদা। কাকদ্বীপের মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ দায়ের। নিউটন কাকদ্বীপের TMCP কর্মী, দাবি বিরোধীদের। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সক্রিয় কর্মী ছিলেন, অভিযোগ বিরোধীদের। স্থানীয় TMCP নেতা দেবাশিস দাসের সঙ্গে একাধিক ছবি নিউটনের। অভিযোগ অস্বীকার TMCP নেতা দেবাশিসের।
জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশের অগস্ট আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন এই নিউটন দাস। বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনে তাঁর যোগ দেওয়ার ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কাকদ্বীপের ভুতুড়ে ভোটার কাণ্ডে নয়া বিতর্ক। কাকদ্বীপের নিউটন দাসকে নিয়ে শুরু হয়ে এই বিতর্ক। স্বামী বিবেকানন্দ গ্রাম পঞ্চায়েতের দাসপাড়ার বাসিন্দা নিউটন দুই দেশের নাগরিক। এই এলাকায় তাঁর দাদা তপন দাসের বাড়ি। নিউটন যে বাংলাদেশের এবং ভারতের, উভয় দেশেরই ভোটার, তা স্বীকার করেছেন যুবকের দাদা তপন। আগে দাদার বাড়িতে কিছুদিন ছিলেন। এখন নিউটন রয়েছেন বাংলাদেশে। এমনকি তাঁর মা-বাবাও থাকেন সেখানে। বাংলাদেশের ভোটার নিউটন কিছুদিন আগেও থাকতেন কাকদ্বীপের সুভাষনগরে। একজন মানুষ, অথচ তিনি দুই দেশের নাগরিক, আবার দুই দেশের ভোটারও ! কীভাবে এমন হতে পারে, তাই নিয়ে উঠছে প্রচুর প্রশ্ন। এমনিতেও ভুয়ো ভোটার, ভুতুড়ে ভোটার নিয়ে অনেকদিন ধরেই সরব শাসক দল। এ নিয়ে আবার শাসক দলকেও অনেক সময়েই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে বিরোধী পক্ষ।
নিউটন দাসের দাদা তপন দাস জানিয়েছেন, করোনার পরে ভারতে এসেছিলেন তিনি। তাঁর নামে জায়গা ছিল। সেই জায়গা ভাগাভাগি হয়ে গিয়েছে। এখন আর কাকদ্বীপে থাকেন না তিনি। নিউটনের জন্ম বাংলাদেশে। সেখানকার নাগরিকত্ব রয়েছে তাঁরা। ভাইয়ের এভাবে দু'দেশের ভোটার এবং নাগরিক হওয়ার ঘটনা স্বীকার করেছেন দাদা তপন। অন্যদিকে কাকদ্বীপের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা দেবাশিস দাস জানিয়েছেন, নিউটন তাঁর সঙ্গে স্কুলে পড়তেন। তারপর ২০২১-২২ সালে হঠাৎ দেখা হয়েছিল। বন্ধু ছিল। জন্মদিনে একদিন কেক কাটা হল। এইটুকুই। নিউটন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ করতেন না বলেই জানিয়েছেন দেবাশিস। সেই সঙ্গে এও জানিয়েছেন, কাকদ্বীপে নিউটনের দাদা এবং দিদির বাড়ি ছিল। জায়গা-জমি বিক্রির ব্যাপারেও বন্ধু দেবাশিসের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নিউটন।






















