Hooghly Flood: DVC-র ছাড়া জলে বাড়ছে আতঙ্ক, প্লাবিত হুগলির একাধিক এলাকা
West Bengal News: টানা বৃষ্টি, জল ছাড়ার পরিমাণ বাড়ালো DVC. মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার থেকে মোট ৫৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে।

সোমনাথ মিত্র ও বাপন সাঁতরা, হুগলি: DVC-র ছাড়া জলে প্লাবিত হুগলির একাধিক এলাকা। খানাকুল থেকে হরিপালের মতো এলাকায় জল-যন্ত্রণার ছবি গ্রামে গ্রামে। প্লাবিত হয়ে গিয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকার চাষের জমি। যার জেরে মাথায় হাত কৃষকদের।
খানাকুলে রূপনারায়ণ ও মুণ্ডেশ্বরী নদীর জলে প্লাবন পরিস্থিতি। জলে ডুবেছে ৪টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার প্রায় ২০টি গ্রাম। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত খানাকুলের মাড়োখানা পঞ্চায়েত এলাকা। জমির ফসল আগেই জলের তলায় চলে গেছে।ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাটের পাশাপাশি ডুবেছে স্কুল। মাড়োখানা উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে জল থই-থই করছে। শিকেয় উঠেছে পড়াশোনা। রাস্তায় নেমেছে নৌকা, পানসি। ট্র্যাক্টরে চড়ে চলছে যাতায়াত। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে বানভাসি খানাকুলে। DVC-র ঘাড়ে দায় চাপিয়েছে তৃণমূল। অন্যদিকে, ত্রাণ শিবিরের ব্যবস্থা এবং সঠিক সময়ে নদী বাঁধ না সারানোয় রাজ্য সরকারকে দুষেছে বিজেপি। খানাকুলের পর DVC-র ছাড়া জলে প্লাবিত হরিপালের বিস্তীর্ণ এলাকার চাষের জমি। দামোদরের সংযোগকারী ডাকাতিয়া খাল বয়ে গেছে হরিপাল দিয়ে। সেই জলই ঢুকেছে হরিপালের সহদেব, দ্বারহাটা, কৈকালা গ্ৰাম পঞ্চায়েতের চাষের জমিতে। ১০ হাজার হেক্টরের বেশি কৃষি জমি জলের তলায়। ফসল নষ্টের আশঙ্কায় মাথায় হাত চাষিদের। মুখ্যমন্ত্রীর সুরেই DVC-কে আক্রমণ করেছে তৃণমূল। DVC না জানিয়ে জল ছেড়েছে, পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় সরকার একশো দিনের টাকা না দেওয়ায় খাল সংস্কার করা যাচ্ছে না বলে তৃণমূলের অভিযোগ। বিজেপির দাবি, DVC-তে রাজ্য সরকারেরও প্রতিনিধি রয়েছেন। রাজ্য সরকার খাল সংস্কার না করায় বেহাল নিকাশি। কৃষকদের ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়েছেন হরিপালের BDO.
জল ছাড়ছে DVC: টানা বৃষ্টি, জল ছাড়ার পরিমাণ বাড়ালো DVC. মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার থেকে মোট ৫৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। আজ মাইথন থেকে ১৮ হাজার কিউসেক এবং পাঞ্চেত জলাধার থেকে ৩৭ হাজার কিউসেক জল ছাড়া শুরু হয়। নদী তীরবর্তী এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গতকাল ৪৮ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে DVC. আজ জল ছাড়ার পরিমাণ বেড়ে ৫৫ হাজার কিউসেক করা হয়েছে।
আবহাওয়ার আপডেট: আজ বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া জেলাতে। বাকি জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে হালকা মাঝারি বৃষ্টি দু-এক পশলা। শুক্রবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে। আর দুটো দিনই তো অস্বস্তি ও গরম কিছুটা বাড়বে। বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি দুই এক পশলা সামান্য সম্ভাবনা থাকবে শুধু দু-এক জেলায়।






















