Kalyan Banerjee: কোন্নগরে মূক বধির নাবালিকাকে ধর্ষণকাণ্ডে ফাঁসি চেয়ে সওয়াল কল্যাণের, 'RG করের আন্দোলনকারীরা কোথায়?..'
Kalyan ON Konnagar Molestation Case: কোন্নগরে মূক বধির নাবালিকাকে ধর্ষণকাণ্ডে ফাঁসি চেয়ে সওয়াল জানিয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

হুগলি : গতকাল একটি গুরুতর অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে নাগেরবাজার এলাকায়। যার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, তাঁকেই সাহায্যর হাত এগিয়ে দিয়েছেন শহরতলির তৃণমূল নেত্রী ? উত্তর ২৪ পরগনার এই ঘটনা সামনে আসতেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। চব্বিশ ঘণ্টা পার হতে না হতেই অন্য ছবি। এবার কোন্নগরে মূক বধির নাবালিকাকে ধর্ষণকাণ্ডে ফাঁসি চেয়ে সওয়াল জানিয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন, হাজিরা দিতে বললেই 'অসুস্থ'! পুলিশি তলব এড়াতে অনুব্রতর মেডিক্যাল সার্টিফিকেট ঘিরে এবার বিতর্ক
মূলত, কোন্নগরকাণ্ডে শ্রীরামপুর আদালতে সরকারি আইনজীবী হিসেবে সওয়াল করেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ফের ১০ দিনের পুলিশি হেফাজত দেওয়া হয়েছে অভিযুক্তকে। দ্রুত তদন্ত করে দু’মাসের মধ্যে সাজা হবে, আশ্বাস দিয়েছেন কল্যাণ। এই প্রথম শ্রীরামপুর আদালতে সওয়াল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আদালতের বাইরে বুদ্ধিজীবীদের কটাক্ষ করেছেন তিনি।
পঁচিশের পরতে পরতে রক্তের দাগ। আরজিকর কাণ্ডের পর প্রথম কোনও রাস্তায় নেমে সাধারণ মানুষের আন্দোলন। যেখানে গর্জে উঠেছিল বাংলা তথা দেশ-সহ বিদেশও। এদিকে সেই মামলার সঙ্গে সঙ্গে কলকাতায় বুকে একগুচ্ছ ধর্ষণের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে গত কয়েক মাসে। এদিকে আরজিকর আন্দোলনকারীদের অন্যতম মুখ তিন জন দেবাশিস, আসফাকুল্লা ও অনিকেত মাহাতোকে ইতিমধ্যেই মালদা-পুরুলিয়ায় বদলি করা হয়েছে। ঠিক এই আবহেই, কোন্নগর ধর্ষণকাণ্ডের সওয়ালের পাশাপাশি খোঁচা কল্যাণের। আরজি করের আন্দোলনকারীরা কোথায়?
প্রসঙ্গত, গতকাল একটি ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। যেখানে এক হোটেল মালিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এখানেই শেষ নয়, নির্যাতিতা জানিয়েছেন, বারবার তাঁকে ডেকে নেওয়া হয়েছে ওই হোটেলে। এদিকে এই ঘটনার যখন তিনি শিকার হন, তিনি রেজিস্ট্রি ম্যারেজের অনুরোধ জানিয়েছিলেন অভিযুক্তকে। কিন্তু তা শোনা তো দূরে কথা, উল্টে নির্যাতিতাকে হুমকি দেন। যে তার পাশে রয়েছে রাজনৈতিক হেভিওয়েটরা। ঘটনা এরপরেই মোড় নেয়।
অভিযোগ, নাগেরবাজারের এক তৃণমূল নেত্রী সাদা কাগজে নির্যাতিতাকে বলপূর্বক সই করাতে যান। এরপর মা ও নির্যাতিতা বিচার চাইলে, তাঁদের উপর চলে 'মানসিক অত্যাচার'। নির্যাতিতা পুলিশের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলেছেন। যদিও শুধুমাত্র এই ঘটনাই নয়, চলতি বছরে এই আরজিকর কাণ্ডের প্রতিবাদের মধ্যেই আরও একাধিক ধর্ষণের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। যার মধ্যে একটিতে তৃণমূল নেতার নাম জড়িয়েছিল। যেখানে ইন্টারভিউয়ের কথা বলে বাড়িতে ডেকে, ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল খোদ শাসকদলেরই এক নেতার বিরুদ্ধে ! যদিও পরে তৃণমূলের আটিয়াবাড়ি অঞ্চল সভাপতি আব্দুল মান্নাকে গ্রেফতার করা হয়।






















