Baruipur incident : কীভাবে ঘটানো হয়েছিল গোটা অপরাধ ? বারুইপুরকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশের হাতে
Baruipur News : মাথায় আঘাত, গোপনাঙ্গে ক্ষতচিহ্ন, শরীরে আঁচড় ও কামড়ের দাগ। মাত্র ১২ বছর বয়সে ভয়ঙ্কর হিংসার শিকার বারুইপুরের ক্লাস সিক্সের ছাত্রী। কীভাবে ঘটানো হয়েছিল গোটা অপরাধ ? উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

কলকাতা : কলকাতার বীভৎসতার সাক্ষী হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর। নাবালিকার ধর্ষণ-খুনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাইছে পরিবার। বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে পুলিশের ভূমিকায়। এই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বারুইপুরে গিয়ে, কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেনদু অধিকারী। রাজ্য় পুলিশের ভারপ্রাপ্ত DG সিদ্ধিনাথ গুপ্তকে এনিয়ে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য় ৭২ ঘণ্টার ডেডলাইন বেঁধে দিলেন তিনি।
মাথায় একাধিক আঘাত, গোপনাঙ্গে ক্ষতচিহ্ন, শরীরে আঁচড় ও কামড়ের দাগ। মাত্র ১২ বছর বয়সে এমন ভয়ঙ্কর হিংসার শিকার হতে হয়েছে বারুইপুরের ক্লাস সিক্সের ছাত্রীটিকে। যৌন নির্যাতন, পাশবিক অত্য়াচার এরপর পুকুরে ডুবিয়ে খুন! নাবালিকার উপর এভাবে অত্যাচারের ঘটনায় আগুন জ্বলছে মানুষের মনে। কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে বিজেপি সরকার। উল্লেখ্য, শনিবার বান্ধবীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য উপহার কিনতে বেরোয় ক্লাস সিক্সের নাবালিকা। তার পর থেকেই আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। বিকেল থেকে সন্ধা, রাত গিড়ালেও খুঁজে পাওয়া যায়নি তাকে। রবিবার সকালে পুকুর থেকে উদ্ধার হয় নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ। কিন্তু প্রশ্ন, কীভাবে ঘটল এই নারকীয় হত্যা কাণ্ড? গ্রেফতার হওয়া ৩ অভিযুক্তকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। যা শুনে শিউরে উঠছে সকলে।
কীভাবে ঘটানো হয়েছিল গোটা অপরাধ ?
পুলিশের জেরায় জানান যায়, একে ওপরের ঘাড়ে দোষা চাপাচ্ছে। কথার মধ্যে অসঙ্গতি। ৩ জনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার পর উঠে আসে চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য। গোটা ঘটনা পরিকল্পনা মাফিক করা হয়েছে। ঘটেছে শনিবার দিন। যখন নাবালিকা সেই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল, তখন প্রভাসকে ১০,০০০ টাকার টোপ দিয়ে নাবালিকাকে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়। নিয়ে যেতে হবে পুকুরের কাছে একটি ঝুপড়িতে। যে পুকুর থেকে নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়েছে, সেই জায়গায়। ঘটনাস্থলের কাছেই ঝুপড়িতে বসে নেশা করছিল ধৃত আনন্দ সর্দার ও দিবাকর সর্দার। কথা অনুযায়ী, নাবালিকাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে তুলে আনে প্রভাস মণ্ডল। সেই জায়গা থেকে নাবালিকা যখন বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন, তখন শুরু হয় পাশবিক অত্যাচার। চলে যৌন নির্যাতন। এরপর যখন নাবালিকা সংজ্ঞাহারায়, তখন তারা মনে করে যে নাবালিকার মৃত্যু হয়েছে। এরপর তারা গভীর রাতে নাবালিকাকে বস্তায় ভোরে পাশের পুকুরে ফেলে দেয়।
এই ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, '' ৪ জনের মধ্য়ে ৩ জন ধরা পড়েছে। আরেকজনকে ধরতে হবে। আমি ১ সপ্তাহের মধ্য়ে আসব। তখন ওরা যা চেয়েছে, সরকার যা করল, দেখতে পাবেন।''























