Howrah: তোলাবাজি, হুমকি, ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে, গ্রেফতার তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর
Howrah News: হাওড়া পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর ও প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ রায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত শৈলেশ রাইকে গাজিপুর থেকে গ্রেফতার করেছে হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দারা।

সুনীল হালদার, হাওড়া: রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই একের পর এক তৃণমূল নেতা জেলে ঢুকেছেন। কারও বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তো কারও বিরুদ্ধে উঠেছে বিপুল দুর্নীতি ও অন্য়ান্য অসামাজিক কাজের অভিযোগ। এবার হাওড়ার মঙ্গলাহাটে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তৃণমূলের প্রাক্তন পুরপিতা শৈলেশ রাইকে। তাঁকে গাজীপুর থেকে গ্রেফতার করেন হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দারা। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ রায়ের ঘনিষ্ঠ ছিলেন শৈলেশ, এমনটাই জানা গিয়েছে।
হাওড়া পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর ও প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ রায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত শৈলেশ রাইকে গাজিপুর থেকে গ্রেফতার করেছে হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দারা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শৈলেশ রাইয়ের বিরুদ্ধে হাওড়া থানায় তোলাবাজি, হুমকি, ভোট পরবর্তী হিংসা সহ একাধিক ফৌজদারি মামলা রয়েছে। গত ৪ই মে ভোটের ফল বেরোনোর পর তিনি এলাকা থেকে পালিয়ে যান। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের একটি দল গাজিপুরে আত্মীয়ের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শৈলেশ রাইয়ের সন্ধান পায়।
গ্রেফতারের পর তাঁকে সেখানকার আদালতে পেশ করে ট্রানজিট রিমান্ডে হাওড়ায় নিয়ে আসার জন্য আবেদন করেন তদন্তকারীরা। সেই আবেদনের অনুমতি পাওয়ার পর ওই প্রাক্তন পুরপিতাকে হাওড়ায় নিয়ে আসছে গোয়েন্দারা। শুক্রবার শৈলেশ রাইকে হাওড়া আদালতে পেশ করা হয়। উল্লেখ্য, এর আগেও গ্রেফতার হয়েছিলেন শৈলেশ রাই। ২০১৬ সালে একটি বহুতল বাড়ির সিকিউরিটি গার্ড বিজয় মল্লিক খুনের ঘটনায় তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন কাউন্সিলর থাকাকালীন। ২০১৭ সালে তাকে পুলিশ গ্রেফতার করে। বিচার চলাকালীন দীর্ঘদিন তিনি হাওড়া জেলা সংশোধনাগারে ছিলেন। পরে বেকসুর খালাস পান।
উল্লেখ্য, রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের কড়া বার্তার পরে শুধু তৃণমূল নেতা বা তাদের কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধেই নয়, বিজেপির একাংশের বিরুদ্ধেই বারবার উঠছে তোলাবাজির অভিযোগ। চলতি মাসের শুরুতেই কাটোয়া থেকে এমন খবর এসেছিল। সেখানে বিজেপির নগর সভাপতি সহ সেখানকার সাধারণ সম্পাদক ও আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছিল। অভিযোগ জানিয়েছিলেন সুজন ঘোষ নামে স্থানীয় ভূমি ও ভূমি সংস্কার অফিসের এক ক্লার্ক। তাঁর অভিযোগ ছিল যে তাঁর থেকে ৫ লক্ষ টাকা তোলা চেয়ে হুমকি দেওয়া হয়। ২০ হাজার টাকা দেওয়ায় তাঁর ওপর স্থানীয় বিজেপি নেতাদের একাংশ চড়াও হয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ। এমনকী তাঁকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে প্রাণে মারার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন সেই অভিযোগকারী। এরপরেই অভিযুক্ত বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে কাটোয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সুজন ঘোষ নামে ওই ল ক্লার্ক।
Before You Go
Flood Situation in Bengal | নেই নৌকা, নেই ডোঙা! এদিকে চোখের সামনে শুধু জল আর জল...






















