Humayun Kabir: ভোটের মুখে হুমায়ুন কবীরকে Y+ ক্যাটিগরির সুরক্ষা দিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক!
West Bengal News: হুমায়ুন কবীরকে অমিত শাহের মন্ত্রকের সুরক্ষা প্রদান করা হল। তৃণমূলের সাসপেন্ডেড বিধায়ককে দেওয়া হল কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা! তাঁকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের Y+ ক্যাটিগরির সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে

Humayun Kabir: পশ্চিমবঙ্গে ভোটের মুখে এবার হুমায়ুন কবীরকে সুরক্ষা দিল অমিত শাহের (Amit Shah) মন্ত্রক। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেলেন ভরতপুরের হুমায়ুন কবীর। তাঁকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে Y+ ক্যাটিগরির সুরক্ষা প্রদান করা হয়েছে। তৃণমূল ছাড়ার পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন তিনি। তৃণমূলের সাসপেন্ডেড বিধায়ক হুমায়ুন কবীর এই মর্মে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে আবেদন জানায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি দেন। চিঠি পেয়েই তাঁকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে Y+ ক্যাটিগরি নিরাপত্তা প্রদান করা হয়। আজ দুপুরে ১২ জনের কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌছয় হুমায়ুনের রেজিনগরের বাড়িতে।
হুমায়ুন কবীর তৃণমূল (TMC) ছাড়ার পরেই জানিয়েছিলেন যে তিনি নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছেন। রাজ্য পুলিশের নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার জন্য তিনি আদালতের কাছে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু আদালত পুরো বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে জানানোর কথা বলে। সেই মতোই আবেদন করেন তিনি। আর সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই আজ হুমায়ুন কবীরকে Y+ ক্যাটিগরির সুরক্ষা প্রদান করা হয়। এরপরেই হুমায়ুন কবীরের রেজিনগরের বাড়িতে পৌঁছন সিআইএসএফের (CISF) ১২ জনের সদস্য।
এদিকে, আজ হুমায়ুন কবীরের 'আম জনতা উন্নয়ন পার্টি'-র রেজিস্ট্রেশন মঞ্জুর হল। হুমায়ুন কবীরের দলের রেজিস্ট্রেশনের সঙ্গে সঙ্গে কিন্তু তাঁর দলের নামও বদল হয়। নাম বদলে হয় 'আম জনতা উন্নয়ন পার্টি'। কারণ ইতিমধ্যেই 'জনতা উন্নয়ন পার্টি' নামে একটি দলকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই এই নাম বদল করা হল। কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, হুমায়ুন কবীরকে এবার সংবাদপত্রে নতুন রাজনৈতিক দলের নামে বিজ্ঞাপন দিতে হবে। কারও যদি কোনও আপত্তি না থাকে তবে হুমায়ুন কবীরের দলকে স্বীকৃতি দেবে নির্বাচন কমিশন। এরপর প্রতীকের জন্য আবেদন। এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হলে হুমায়ুন কবীরের দল ভোটে লড়তে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।
হুমায়ুন কবীরকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার (Jay Prakash Majumdar) বলেন, "যে রহস্য ছিল তা আস্তে আস্তে উদঘাটিত হচ্ছে। এর আগে হুমায়ুন কবীর ২০১৯ সালে বিজেপিতে ছিলেন। তিনি লোকসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তাঁর হয়ে ভোট দেওয়ার জন্য অমিত শাহ গলা ফাটিয়েছিলেন। কিন্তু জিততে পারেননি। আবার নবরূপে বাবরি মসজিদের নামে যখন তিনি অনেককিছু করতে চললেন, একদিকে যোগী আদিত্যনাথ বললেন বাবরি মসজিদ নিয়ে যারা কথা বলছে তাদের সমাজ থেকে বয়কট করা উচিত। উল্টোদিকে অমিত শাহজি তাঁকে ওয়াই ক্যাটিগরির সুরক্ষা দিচ্ছেন। সমস্তটাই হচ্ছে বিজেপির চিত্রনাট্য, এটা পরিষ্কার। চিত্রনাট্যটা হয়েছে বিজেপির অফিসে। চরিতার্থ করছেন কয়েকজন। একদিকে আইএসএফ (ISF), একদিকে হুমায়ুন কবীর।"























