SIR News: SIR-এ অনিয়ম, চাকরি থেকেই সাসপেন্ড ৭ AERO, এই প্রথম সরাসরি সরকারি আধিকারিক সাসপেন্ড!
SIR Election Commission: কমিশন সূত্রে খবর, অভিযুক্ত ৭ আধিকারিকই রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনের কাজে যুক্ত ছিলেন

SIR-এ অনিয়ম, সরাসরি চাকরি থেকেই ৭ AERO সাসপেন্ড। সরাসরি চাকরি থেকেই ৭ AERO-কে সাসপেন্ড করল কমিশন। ১৩ রাজ্যে SIR, এই প্রথম সরাসরি সরকারি আধিকারিক সাসপেন্ড। নথি যাচাইয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার, ৪ জেলার ৭ AERO সাসপেন্ড। দঃ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, জলপাইগুড়ি, পঃ মেদিনীপুরের AERO সাসপেন্ড। ক্যানিং পূর্ব, ময়নাগুড়ি, ডেবরা, সামশেরগঞ্জ, ফারাক্কা, সুতি
রাজ্য সরকার ব্যবস্থা না নেওয়ায় নির্বাচন কমিশনের বেনজির পদক্ষেপ ।
যে ৭ আধিকারিককে SIR-এর কাজ থেকে সাসপেন্ড করেছে নির্বাচন কমিশন, তাঁরা হলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা এলাকার দুই AERO সত্যজিৎ দাস এবং জয়দীপ কুণ্ডু। আছেন জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির AERO ডালিয়া রায়চৌধুরী, মুর্শিদাবাদের সমশেরগঞ্জের AERO শেফাউর রহমান, মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার AERO নীতীশ দাস, মালদার সুতির AERO শেখ মুর্শিদ আলম। আছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরার AERO দেবাশিস বিশ্বাসও।
কমিশন সূত্রে খবর, অভিযুক্ত ৭ আধিকারিকই রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনের কাজে যুক্ত ছিলেন। কমিশনের দাবি, প্রয়োজনীয় নথি এবং ভোটারদের যোগ্যতা যাচাই না করেই সেসব নথি আপলোড করেছেন এই ৭ আধিকারিক। ভোটারদের ম্যাপিংয়ে অসঙ্গতি থাকা সত্ত্বেও, সংশোধনমূলক কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকী, কমিশনের নির্দেশিকা ও আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে এই ৭ আধিকারিকের বিরুদ্ধে। ক্ষমতার অপব্যবহার, কর্তব্যে গাফিলতি সহ একাধিক অভিযোগে তাদেরকে SIR-এর কাজ থেকে সাসপেন্ড করেছে নির্বাচন কমিশন।
SIR-এর শুনানি শেষের পরেই কড়া পদক্ষেপ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের। ৪ জেলার ৭ AERO-র বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশনের নির্দেশ । রাজ্যের আরও ৭ আধিকারিককে SIR-এর কাজ থেকে সাসপেন্ড করল ECI। মুখ্যসচিবকে চিঠি জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সচিব সুজিতকুমার মিশ্রর। অবিলম্বে তাঁদের বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন নেওয়ার জন্য রাজ্যকে নির্দেশ কমিশনের। অভিযুক্ত ৭ আধিকারিকই রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনের কাজে যুক্ত। এই অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে SIR-এর কাজে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ। এঁদের বিরুদ্ধে নথি খতিয়ে না দেখে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নাম তোলার মতো অভিযোগ।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, 'নির্বাচন কমিশনের যে ১৩টি গাইডলাইন আছে, তাকে সম্পূর্ণরূপে লঙ্ঘন করেছেন এরা মূলত তৃণমূলের কথায়। DM বা DEO-দের চাপে। আর নন্দিনী চক্রবর্তীর ইশারাতে আর নন্দিনী চক্রবর্তীকে দিয়ে পুরো র্যাকেটটা চালাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। তাই নির্বাচন কমিশন এই প্রথম টাইট দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়েছেন।'























