News Live Update: কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে আর্থিক প্রতারণা মামলার তদন্তে দেবাশিস কুমারের দুই ঠিকানায় অভিযান
News Live: দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর অভিযান। বাড়িতেই আছেন রাসবিহারী কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী। বিদায়ী বিধায়কের নির্বাচনী কার্যালয়েও আয়কর দফতরের টিম।
LIVE

Background
কলকাতা: ED-র পর এবার আয়কর দফতরের স্ক্যানারে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমার। আর্থিক প্রতারণা মামলার তদন্তে বিদায়ী বিধায়ক দেবাশিস কুমারের দুই ঠিকানায় আয়কর হানা। ভোর থেকে দেবাশিস কুমারের মনোহরপুকুর রোডের বাড়ি ও কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কার্যালয়ে অভিযান। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে এলাকা ঘিরে ফেলে অভিযান চালাচ্ছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। সকাল সাড়ে ৭টার পর মতিলাল নেহরু রোডে দেবাশিস কুমারের কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কার্যালয়ের তালা খোলা হয়েছে।
দেবাশিস কুমারকে ইতিমধ্যেই ২ বার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ED। ED সূত্রে খবর, এই মামলায়, সম্প্রতি, অমিত গঙ্গোপাধ্য়ায় নামে এক ব্য়বসায়ীর ঠিকানায় অভিযান চালানো হয়। অভিযোগ, কলকাতার একাধিক বিতর্কিত জমির নথি পুরসভা থেকে তৈরি করাতেন ওই ব্য়বসায়ী। সেই বিতর্কিত জমি বিক্রি করা হত অন্য়দের, এভাবে বহু টাকা হাতানোর অভিযোগ ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। ED সূত্রে দাবি, এই মামলার তদন্ত করতে গিয়ে মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমারের নাম উঠে এসেছে। মেয়র পারিষদ থাকাকালীন ওই ব্যবসায়ীকে তিনি কোনও সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন কিনা, তা জানতে চায় ED। ৩০ মার্চ ও ৩ এপ্রিল সল্টলেকের CGO কমপ্লেক্সের অফিসে তলব করে দেবাশিস কুমারকে ২ দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করে ED।
ভোটের মুখে ফের কলকাতা ও হাওড়ায় টাকা উদ্ধার। হাওড়া স্টেশনের কাছে টাকা ও ডলার উদ্ধার। প্রায় ৪৩ হাজার মার্কিন ডলার ও ৩২ লক্ষের বেশি টাকা উদ্ধার। হাওড়ায় আটক বারাণসীর ২ বাসিন্দা। জোড়াসাঁকোয় উদ্ধার ১৮ লক্ষ টাকা।
Mamata Banerjee: 'বিজেপি শাসিত রাজ্যে মাছ-মাংস-ডিম খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে', কোচবিহারের সভা থেকে বিজেপিকে আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
'বিজেপি শাসিত রাজ্যে মাছ-মাংস-ডিম খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে'
'কে কী পরবে, কে কী ভাষা বলবে সেটা তাঁর নিজের অধিকার'
'মাছে ভাতে বাঙালির মাছ-মাংস-ডিম খাওয়া বন্ধ করে দিচ্ছে বিজেপি'
কোচবিহারের সভা থেকে বিজেপিকে আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
Election News: নির্বাচনের আগে সরকারি কর্মচারীদের নিয়ে বড় বার্তা কোর্টের
ভোটের দায়িত্ব সামলাতে নির্বাচন কমিশনকে ভরসা করতে হয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরত সরকারি কর্মচারীদের উপর। সরকারি দফতর থেকে স্কুলের শিক্ষকদের উপর পরে দায়িত্ব। এ বছরও তার প্রশিক্ষণ শুরু হয়ে গিয়েছে। বহু অধ্যাপকদের কাছেও ভোটের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য বার্তা পৌঁছেছে কমিশনের তরফে। এরই মধ্যে আদালতের দ্বারস্থ হন অধ্যাপকদের একাংশ। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে অধ্যাপকদের একাংশকে ভোটের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, যেসব অধ্যাপকরা ইতিমধ্যে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন বা নিচ্ছেন এবং যাঁরা স্বেচ্ছায় কাজ করতে চান, তাঁদের ক্ষেত্রে এই নির্দেশ কার্যকরী নয়। কেন অধ্যাপকদের এই ভোটে অপরিহার্য বলে মনে করছে কমিশন, সেই কারণ দেখাননি জেলা নির্বাচনী আধিকারিক। পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে আদালত। প্রশাসন যদি স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করে তাহলে কোনও সমস্যা তৈরি হয় না, আর মামলাও হয় না, মনে করছে আদালত। মামলাকারী অধ্যাপকদের দাবি ছিল, কেন তাদের এই নির্বাচনে অপরিহার্য বলে মনে করছে কমিশন সেই কারণ দেখানো হয়নি। তাঁদের পদমর্যাদা ও পে-স্কেল অনুযায়ী দায়িত্ব বণ্টন করা হয়নি।






















