Jadavpur University : একসময় গ্রেফতার হয়েছিলেন যাদবপুরের এই প্রাক্তনী, এবার স্পেনে ফেরার আগে অনামিকার রহস্যমৃত্যু নিয়ে কী বললেন হিন্দোল মজুমদার ?
Jadavpur University Student Death: স্পেনে ফিরছেন যাদবপুরের প্রাক্তনী, অনামিকার রহস্য়মৃত্য়ু নিয়ে কী প্রতিক্রিয়া এই বাঙালি গবেষকের ?

ঐশী মুখোপাধ্যায়, কলকাতা: স্পেনে ফিরছেন যাদবপুরের প্রাক্তনী এবং স্পেন-ফেরত বাঙালি গবেষক হিন্দোল মজুমদার। যাওয়ার আগে যাদবপুরের তৃতীয় বর্ষের ইংরেজি পড়ুয়া অনামিকা মণ্ডলের রহস্য়মৃত্য়ু নিয়ে মুখ খুললেন তিনি।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। কদিন আগে, যাদবপুরের বিশ্ববিদ্য়ালয়েরই প্রাক্তনী এবং স্পেন-ফেরত বাঙালি গবেষক হিন্দোল মজুমদারের গ্রেফতারির ঘটনাতেও বাংলার রাজনীতিতে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল। আদালতের নির্দেশে জামিন পাওয়ার পর, বাঙালি গবেষক সোমবার ফের রওনা দিলেন স্পেনের উদ্দেশে। যাওয়ার আগে যাদবপুরের তৃতীয় বর্ষের ইংরেজি পড়ুয়া অনামিকা মণ্ডলের রহস্য়মৃত্য়ু নিয়ে মুখ খুললেন তিনি!
গবেষক ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী হিন্দোল মজুমদার বলেন,' ছাত্রী মৃত্যুর ঘটনা মর্মান্তিক, তদন্ত হওয়া উচিত। 'যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ি ঘিরে গণ্ডগোলের ঘটনায় , স্পেনে গবেষণারত, যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ের প্রাক্তনী হিন্দোল মজুমদারকে ধরতে 'লুক আউট নোটিস' জারি করেছিল পুলিশ। তার ফলে স্পেন থেকে দিল্লি বিমানবন্দরে নামতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এই বাঙালি গবেষককে আদালতে কুখ্য়াত জঙ্গি আফতাব আনসারির সঙ্গে তুলনা করেন সরকারি আইনজীবী!
কিন্তু এর ৩ দিনের মাথায় তাঁকেই জামিন দেয় আদালত। গবেষক ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী হিন্দোল মজুমদার বলেন, দিল্লিতে যাই দেখা যাক। যাদবপুরে ছাত্রীর রহস্য়মৃত্য়ুর পর ফের একবার ক্য়াম্পাসে কেন পর্যাপ্ত সংখ্য়ক সিসি ক্যামেরা নেই, সেই প্রশ্ন জোরালভাবে উঠেছে। হিন্দোল মজুমদার বলেন, ওটা বর্তমান শিক্ষার্থী ও অথরিটি সিদ্ধান্ত নেবেন। আমি জানি তারা ঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন।এটার মাধ্যমে সুরাহা হয় না। সিসি ক্যামেরা নিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কী সিদ্ধান্ত নেয় সেদিকেই নজর সবার।
ফের যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ের ক্য়াম্পাসে রহস্য় মৃত্যু! অকালে নষ্ট হল আরও একটা সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ। কিন্তু, কার গাফিলতিতে মৃত্যু হল ইংরেজি অনার্সের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া অনামিকা মণ্ডলের? অত রাতে ঝিলের কাছে কেনই বা গেছিলেন তিনি? সঙ্গে কি কেউ ছিলেন? প্রশ্ন বহু। কিন্তু উত্তর নেই। এই পরিস্থিতিতে, সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছে মৃত ছাত্রীর পরিবার।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর,বৃহস্পতিবার, এই পিজি আর্টস বিল্ডিং সংলগ্ন পার্কিং লটেই চলছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রামা ক্লাবের তরফে একটি অনুষ্ঠান। নাম 'রুহানিয়ত'অনামিকা মণ্ডলও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। রাত দশটা নাগাদ ইউনিয়ম রুম সংলগ্ন ঝিল থেকেই উদ্ধার হয় অনামিকার অচৈতন্য দেহ। আর এই আবহেই হাতে এসেছে একটি চিঠি। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে পাঠানো এই অনুমতিপত্রে দেখা যাচ্ছে,মোট ৩ দিনের জন্য, পার্কিং লটে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। বিকেল ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত অনুমতিও চাওয়া হয় এই চিঠিতে। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে,রাত ৮টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানের অনুমতি ছিল, কিন্তু তারপরও কী করছিলেন পড়ুয়ারা? অত রাতে ঝিলের কাছে কেনই বা গেছিলেন অনামিকা?






















