Kakoli Ghosh Dastidar: এবার বিদ্রোহী কাকলি-পুত্র, বিয়েতে দেওয়া মমতার উপহার ফেরতের সিদ্ধান্ত, সোশাল পোস্টে যা বললেন..
Kakoli Ghosh Dastidar Son Return Mamata Gift: এবার বিদ্রোহী কাকলি-পুত্র, বিয়েতে দেওয়া মমতার উপহার ফেরতের সিদ্ধান্ত, সোশ্যাল পোস্টে কী বললেন বৈদ্যনাথ ঘোষ ?

কলকাতা: এবার বিদ্রোহী কাকলি-পুত্র, বিয়েতে দেওয়া মমতার উপহার ফেরতের সিদ্ধান্ত। কাকলি-পুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষ জানিয়েছেন, 'বিয়েতে আমার স্ত্রীকে দেওয়া মমতার সোনার হার ও দুর্গাপুজোয় আমাকে দেওয়া কুর্তা-পাজামা ফেরত দিচ্ছি। এই সৌজন্যের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। ব্যক্তিগত কারণে এই উপহারগুলি ফিরিয়ে দেওয়াই সমীচীন', সোশাল সাইটে পোস্ট কাকলি-পুত্রের। ‘তোমার ও তোমার স্ত্রীর জন্য গর্বিত, ছেলের পোস্টকে ট্যাগ করে বার্তা কাকলির।
আরও পড়ুন, ধৃত সব্যসাচী দত্তকে নিয়ে বিধাননগরের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কার্যালয়ে তল্লাশি পুলিশের
এদিন , দিল্লিতে 'বিদ্রোহী' সাংসদদের বৈঠকের আগে কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন,’ আমাদের কোনও দাবি নেই। দাবি আবার কী হবে, দেশের ভাল করা, দেশের জন্য কাজ করা। এই পশ্চিমবাংলার বর্তমান পরিস্থিতি চার-পাঁচ বছর বিশেষ করে, যে জায়গায় গিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে, যারা মত দিচ্ছিলেন, সেই নিয়ে কথাবাত্রা হয়েছিল। এবং তার মধ্যে আরও আছে। ধরে নিন আরও দুই এক জন আসবেন। আমি যেটা ২০ বলেছিলাম, সেটা আসলে ২২। সুতরাং আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।
গত ১৫ বছরে ক্ষমতায় থাকাকালীন এভাবেই ফুলে ফুলে ঘাস ফুলের বাগান ভরে উঠেছিল। কিন্তু, ক্ষমতা যেতেই রাতারাতি বাগান ছারখার। লন্ডভন্ড মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের তৈরি তৃণমূল। পুরসভা, বিধানসভা, কর্পোরেশন, জেলা পরিষদের পর এবার সংসদেও ভাঙতে চলেছে তৃণমূল। বিধানসভায় বিদ্রোহী বিধায়করা যখন জোট বেঁধে তাঁর নির্দেশ খারিজ করে দিয়েছিলেন, তখন চুপ করে বসে তা দেখতে হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে। এবার সংসদীয় দলও যখন ভাঙনের মুখে, তখনও তা আটকানোর কার্যত কোনও ক্ষমতাই নেই একদা তৃণমূলের সর্বেসর্বার হাতে। লোকসভা ও রাজ্য়সভা মিলিয়ে তৃণমূলের বর্তমান সাংসদ সংখ্যা ৪১। লোকসভায় ২৮। রাজ্যসভায় ১৩। সূত্রের খবর, লোকসভার ২৮ জন সাংসদের মধ্য়ে ২৪ জনেরই মন এখন উড়ুউড়ু। তার মধ্যে অন্তত ২০ জন তো বিপ্লবের জন্য একেবারে প্রস্তত।
এন্টালির বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক সন্দীপন সাহা বলেন, ক্ষোভের কারণটা তো একই সবার ক্ষেত্রে। অভিষেক ব্যানার্জির স্বেচ্ছাচারপূর্ণতা। যেইভাবে দলকে পরিচালনা করছিলেন এবং সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টি বুঝেও চুপ থাকা, এটাই তো কারণ সবার ক্ষেত্রে। কোনও MP-র সাথে তো আমার কথা হয়নি। আর আমি বিধানসভার সদস্য, লোকসভা বা রাজ্যসভার সদস্য নয়। তবে টিভি মিডিয়ার মাধ্যমে যা দেখলাম যে, সেখানেও বোধহয় এরকম একটা ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে, সেটা দেখে আমার এটা মনে হল ক্ষোভের কারণ একই হবে।






















