Kali Pujo 2025: ভবানী পাঠক ও বামাক্ষ্যাপার পূজিত মায়ের দরবারে ছাদহীন আকাশ, নিস্তব্ধতা আর বিশ্বাসের স্রোত
Kali Pujo: সিঙ্গারণ নদীর ধারে, ঘন জঙ্গলের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে এই বুড়ো কালী মন্দির। এই মন্দিরের চারপাশে নেই কোনো বিদ্যুৎ, মন্দির ঘিরে তেমন জাঁকজমকও চোখে পড়ে না।

কৌশিক গাঁতাইত, পশ্চিম বর্ধমান: জঙ্গলের মাঝে জেগে থাকা আধ্যাত্মিক শক্তি, বুড়ো কালী মন্দির। পশ্চিম বর্ধমানের (Paschim Bardhaman) আসানসোলের জামুড়িয়ায় অবস্থিত এই মন্দিরটি। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ভবানী পাঠক, বামাক্ষ্যাপার নাম এবং ইতিহাস ও বিশ্বাস।
সিঙ্গারণ নদীর ধারে, ঘন জঙ্গলের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে এই বুড়ো কালী মন্দির। এই মন্দিরের চারপাশে নেই কোনো বিদ্যুৎ, মন্দির ঘিরে তেমন জাঁকজমকও চোখে পড়ে না। তবে রয়েছে শুধু আধ্যাত্মিক শক্তির ছোঁয়া। এমনটাই মনে করা হয়। কয়েকশো বছরেরও বেশি পুরনো এই মন্দির। এখানেই ভবানী পাঠক প্রতিদিন পুজো দিতেন। শোনা যায় একসময় এই স্থানে বামাক্ষ্যাপাও এসেছিলেন গভীর ধ্যান ও আরাধনার জন্য।
এই মন্দির আর পাঁচটা থেকে পৃথক। মন্দিরের ছাদহীন অবস্থায় মা কালী এখানে বিরাজমান, প্রতিদিন চলে পুজো অর্চনা, এটাই এই মন্দিরকে বাকি সব মন্দিরের থেকে পৃথক করে তোলে। এটাই এর বিশেষত্ব। মন্দিরের চারিদিকে শ্মশানের নিস্তব্ধতা আর জঙ্গলের প্রাকৃতিক পরিবেশ মিশে আছে এক অপূর্ব আবেশে।
সময়ের সঙ্গে সিঙ্গারণ নদীর জলরাশি শুকিয়ে বর্তমানে নালায় পরিণত হলেও, ভক্তদের বিশ্বাসের স্রোত কিন্তু কমেনি। কালীপুজোর (Kali Pujo 2025) সময় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয় এই মন্দিরেই। আপাত শুনশান এলাকা জুড়ে পুজোর সময় শোনা যায় ভক্তদের তীর্থসংগীত, ধূপের গন্ধ ম ম করে চারিদিক। এই মন্দিরটিতে শুধু যে স্থানীয় মানুষজন আসেন, তাই নয়। দূর দূরান্তের বহু মানুষের কাছে এটি মনোবাঞ্ছা পূর্ণকারী আস্থার প্রতীক। এখানে নেই কোনো আধুনিক সাজ কেবল রয়েছে শুধু ভক্তি, বিশ্বাস এবং মা কালীর অমর শক্তি। বুড়ো কালী মন্দির সেই আধ্যাত্মিক তীর্থ, যার টানে বছরের প্রতিদিনই, প্রতিটি কালীপুজোয় মানুষ ছুটে আসে। এই মন্দির মানুষকে মুগ্ধ করে।
আতসবাজি মামলায় প্রশ্নের মুখে রাজ্য
আপাতত বাজি বাজারে বাজি বিক্রিতে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই, নির্দেশ হাইকোর্টের। আতসবাজি মামলায় হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে রাজ্য। 'বাজি বাজার শুরু হয়ে গিয়েছে, তাদের জন্যে কি গাইডলাইন?', কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, রাজ্যকে প্রশ্ন কলকাতা হাইকোর্টের।
'মুখ্যসচিবের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কী করেছে রাজ্য, রিপোর্ট দিয়ে জানাতে হবে। বায়ু দূষণ রুখতে কী পদক্ষেপ, জানাতে হবে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে। বাজি পোড়ানোর আগেও পর্ষদের ভূমিকা থাকে। বাজি পরীক্ষা থেকে জানতে পারে দূষণের পরিমাণ কতটা' পর্যবেক্ষণ আদালতের, রেগুলার বেঞ্চে মামলার পরবর্তী শুনানি।






















