Kasba Incident Update: কসবাকাণ্ডে ৫৮ দিনের মাথায় ৬৫০ পাতার চার্জশিট পেশ পুলিশের
South Calcutta Law College Incident: এই চার অভিযুক্তদের কাউকে আজ সশরীরে আদালতে আনা হয়নি। গতকাল তাদের আলিপুর আদালতে পেশ করা হয়েছিল। তাদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, কলকাতা : কসবা ল কলেজে গণধর্ষণ মামলায় চার্জশিট জমা পড়ল। ৫৮ দিনের মাথায় আলিপুর কোর্টে চার্জশিট পেশ করল পুলিশ। প্রাক্তন TMCP নেতা ও কলেজের অস্থায়ী কর্মী মনোজিৎ মিশ্র-সহ ৪ জনের নামে চার্জশিট। চার্জশিটে নাম রয়েছে- প্রমিত মুখোপাধ্যায়, জেব আহমেদ ও পিনাকী বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ৫৮ দিনের মাথায় ৬৫০ পাতার চার্জশিট পেশ করেছে পুলিশ। ৮০ জনেরও বেশি সাক্ষীর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। গণধর্ষণ, আটকে রাখা, অপহরণ, প্রাণনাশের হুমকি, তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ধারায় মামলা করা হয়েছে। মোবাইলে অপরাধের ভিডিও তুলে মোছার চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে।
বিস্তারিত...
এই চার্জশিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । এই কারণে যে, BNA-এর যেসব ধারা দেওয়া হয়েছে তাতে ৬০ দিনের মধ্যে তদন্তকারী সংস্থাকে চার্জশিট জমা দিতে হয়। নাহলে, পরবর্তী সময়ে অভিযুক্তরা জামিনের জন্য আবেদন করতে পারেন। চলতি সপ্তাহেই নিরাপত্তারক্ষী পিনাকী বন্দ্যোপাধ্যায় আলিপুর জেলা জজের কোর্টে জামিনের আবেদন করেছিলেন। যার বিরোধিতা করেন সরকারি আইনজীবী। তখন বলা হয়, যেহেতু চলতি সপ্তাহে চার্জশিট দেওয়া হতে পারে, সেই কারণে এই জামিনের আবেদন যেন পিছিয়ে দেওয়া হয়। ফলে, ৬০ দিনের মাথায় চার্জশিট না দেওয়া গেলে অভিযুক্তদের জামিন পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। ঠিক সেই কারণে, ২৬ জুনের পর থেকে গ্রেফতারি, বয়ান সংগ্রহ , সেই বয়ানের পরে তাদের কলেজে নিয়ে গিয়ে কেসের পুনর্নির্মাণ করা। এছাড়া অভিযুক্তদের মোবাইল ফরেন্সিক ল্যাবে পাঠানো...এই সমস্ত কিছু শেষ করা হয়। ৮০ জনের সাক্ষী নেওয়া হয়। তারপরেই আজ ৬৫০ পাতার চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। আজ দুপুর ২টোর কিছু পর আইও চার্জশিট আনেন। তার কিছুক্ষণ পরে আলিপুর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কোর্টে নিয়ে যান। মিনিট ১৫ সেই চার্জশিট খতিয়ে দেখেন বিচারক। তারপর তিনি সেটি গ্রহণ করেন। অর্থাৎ, আদালতগ্রাহ্য হয় চার্জশিট।
এই চার অভিযুক্তদের কাউকে আজ সশরীরে আদালতে আনা হয়নি। গতকাল তাদের আলিপুর আদালতে পেশ করা হয়েছিল। তাদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২৫ তারিখ কসবায় কলেজের মধ্যে ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে মনোজিৎ মিশ্র ছাড়াও জেব আহমেদ ও প্রমিত মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপরে নিরাপত্তারক্ষী পিনাকী বন্দ্যোপাধ্যায়কেও গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার দিন সন্ধে ৭টা ৩০ থেকে থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কী কী ঘটেছিল? পুরো ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেছেন তদন্তকারীরা। নির্যাতিতার এফআইআরের সঙ্গে গোটা বিষয়টি মিলিয়ে দেখা হয়।






















