West Bengal Assembly Election 2026: ২ দফার ভোটে এবার রাজ্যে থাকতে পারে প্রায় আড়াই লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী
Central Forces: সব মিলিয়ে ভোটের সময় এ রাজ্যে থাকতে পারে প্রায় আড়াই লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী।

West Bengal Assembly Election 2026: দু'দফার বিধানসভা নির্বাচনে এবার রাজ্যে থাকতে পারে প্রায় আড়াই লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী। জানা যাচ্ছে, ২ দফায় ভোটের জন্য পশ্চিমবঙ্গে আসছে বিপুল কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে গিয়েছে বলে খবর এবং এর পাশাপাশি শোনা যাচ্ছে যে, রাজ্যে আসতে পারে আরও ২ হাজার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ধাপে ধাপে রাজ্যে আসতে পারে মোট আড়াই হাজার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, এমনটাই শোনা যাচ্ছে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে ভোটের সময় এ রাজ্যে থাকতে পারে প্রায় আড়াই লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী। কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীতে পশ্চিমবঙ্গে ভোট করাতে তৎপর নির্বাচন কমিশন।
রাজনৈতিক হিংসা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। ভোট ঘোষণা করে আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে কড়া বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রবিবারের সাংবাদিক বৈঠকে ভোটের দিন ঘোষণার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বলেন, 'রাজনৈতিক হিংসা এবং ভোটকে প্রভাবিত করার কোনও বিষয়কে নির্বাচন কমিশন বরদাস্ত করবে না। ভারতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সংবিধান ও আইন মেনে। এরকম যারা করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্য়বস্থা নেওয়া হবে। গত নির্বাচনের সময় হিংসায় যে সমস্ত পুলিশ আধিকারিকরা জড়িত ছিলেন সেই তালিকা তৈরি হয়েছে। আইন অনুসারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।'
পঞ্চায়েত থেকে পুরসভা, বিধানসভা থেকে লোকসভা, পশ্চিমবঙ্গে ভোট মানেই রাজনৈতিক হিংসার তিক্ত ইতিহাস... এই পরিস্থিতিতে রবিবার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে গিয়ে, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কড়া বার্তা দিল নির্বাচন কমিশন। তবে এরকম কড়া বার্তা আগের ভোটগুলিতেও দেওয়া হয়েছে বারবার। তারপরও কোথাও গুলি চলেছে, কোথাও বোমাবাজি হয়েছে। কোথাও কেউ খুন হয়েছেন। কোথাও ঝরেছে রক্ত। বারবার দেখা গেছে এসব ছবি। এবার পশ্চিমবঙ্গে ২ দফায় হবে ভোটগ্রহণ। ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল ভোট হবে। প্রথম দফায় ১৫২ আসনে এবং দ্বিতীয় দফায় ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে পশ্চিমবঙ্গে। ৪ এপ্রিল ভোটগণনা হবে। কলকাতা, হাওড়া এবং হুগলি জেলায় ভোট হবে দ্বিতীয় দফায়।
রবিবার ব্রিগেডে নরেন্দ্র মোদির সভার দিন তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে উঠেছিল গিরিশ পার্ক এলাকা। মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলা হয়। ব্রিগেডে আসা বিজেপি কর্মীদের মারধর এবং তাঁদের বাসে-গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে আবার ব্রিগেড থেকে ট্রেনে ফেরার সময় শিলিগুড়ি স্টেশনে ট্রেনের মধ্যে থাকা বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা চালানো হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। ভোট ঘোষণার পরই দিনহাটায় আক্রান্ত হন যুব তৃণমূল নেতা। অভিযোগ ওঠে বিজেপির দিকে। এই আবহে বিরোধীদের প্রশ্ন, আদৌ পশ্চিমবঙ্গে রক্তপাতহীন নির্বাচন করা যাবে তো?





















