Kolkata Crime News: ‘যোধপুর পার্ক উৎসবে’র নামে ক্যাফেতে তোলাবাজির অভিযোগ, থানায় অভিযোগ জানানোর পথে আটকানোর চেষ্টা!
থানায় অভিযোগ দায়ের করে ফেরার সময় গাড়ি আটকাবার চেষ্টা। তাঁকে বাইকে ধাওয়া করে গাড়ি আটকানোর চেষ্টার অভিযোগ।

পার্থপ্রতিম ঘোষ, কলকাতা : যোধপুর পার্কে (Jodgpur Park) ক্যাফেতে (Cafeteria) তোলাবাজির (Extortion) অভিযোগ। অভিযোগ, ‘যোধপুর পার্ক উৎসবে’র নাম করে তোলাবাজি হয়েছে। দক্ষিণ কলকাতার (South Kolkata) যোধপুর পার্ক এলাকায় একা এক ক্যাফে চালান এক মহিলা। তাঁর কাছে ‘উৎসবের বিজ্ঞাপনের রেট-চার্ট ধরিয়ে ক্যাফের কর্ত্রীকে টাকা দিতে চাপ’। ‘চেকের মাধ্যমে টাকা দিতে চাপ উদ্যোক্তাদের, টাকা দিতে অস্বীকার করায় গতরাতে ক্যাফের বাইরে জমায়েত’। সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজে ধরা পড়ছে যে ছবি। যে ঘটনায় নাম জড়িয়েছে স্থানীয় তৃণমূল কতাউন্সিলরের। এদিকে, এমন ঘটনা ঘটে থাকলে ভুল হয়েছে, দাবি উৎসবের উদ্যোক্তাদের।
অভিযোগ, উৎসবের উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে জমায়েতের। পাশাপাশি ভিডিও রেকর্ডিংয়ের সময় মোবাইল ফোন (Mobile Phone) কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ। আরও অভিযোগ পরিস্থিতির পরে রাজ্য মহিলা কমিশনে (West Bengal Commission for Women) যোগাযোগ করায় লেক থানায় (Lake Thana) যাওয়ার পরামর্শ। তার পরেই লেক থানায় অভিযোগ দায়ের ক্যাফের কর্ত্রীর।
যদিও তোলাবাজির পরও হেনস্থা থামেনি বলে অভিযোগ ওই ক্যাফে কত্রীর। থানায় অভিযোগ দায়ের করে ফেরার সময় গাড়ি আটকাবার চেষ্টা। তাঁকে বাইকে ধাওয়া করে গাড়ি আটকানোর চেষ্টার অভিযোগ। সেই সময় যাদবপুর থানার সামনে গাড়ি থামিয়ে কোনওক্রমে রক্ষা। পরে পুলিশি নিরাপত্তায় বাড়ি পৌঁছন, দাবি ক্যাফের কর্ত্রীর। অভিযোগের তদন্ত করে দেখা হচ্ছে, জানিয়েছে পুলিশ।
প্রাক্তন পুলিশকর্তা সলিল ভট্টাচার্য জানান, ঘটনা যদি সত্যি হয় তাহলে দুই ভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ দায়ের হবে। তৃণমূল কাউন্সিলরের নাম জড়ানো প্রসঙ্গে রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক, অনভিপ্রেত ঘটনা। তৃণমূল কংগ্রেস কোনও অবস্থাতেই এরকম কোনও কাজ সমর্থন করে না। পুলিশকে তৃণমূলের তরফে অনুরোধ করা হবে নিরপেক্ষভাবে কাজ হোক। নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে এফআইআর করে নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হোক। যদিও বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, এই রাজ্যে এমন ঘটনা তো নতুন নয়। নেতাজির বাড়ির লোকও ছাড় পাননি। রাজ্যে চাকরি দিতে পারছে না যাঁরা নিজে ব্যবসা করে খাচ্ছে, তাদের শাঁসানি দেওয়া হয়। বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী কটাক্ষ, মুখ্যমন্ত্রী একজন নেত্রী, আর তাঁর দলের লোক এক মহিলাকে হেনস্থা করছেন।
আরও পড়ুন- সাড়ে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে গর্ভপাতের অনুমতি হাইকোর্টের






















