(Source: Poll of Polls)
Kolkata Metro: প্রস্তুতি শেষ, কিন্তু এখনও শুরু হয়নি কবি সুভাষ-রুবি মেট্রো, কেন?
Metro Blue Line:প্রস্তুতি শেষ হয়ে গেলেও এখনও চালু হয়নি কবি সুভাষ থেকে রুবি পর্যন্ত মেট্রোর যোগাযোগ

অরিত্রিক ভট্টাচার্য, কলকাতা: কাজও শেষ হয়ে গিয়েছে। যাবতীয় প্রস্তুতিও সেরে ফেলা হয়েছে। এমনকী পরিদর্শনের পরে মিলেছে কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির ছাড়পত্রও। কিন্তু উদ্বোধন হচ্ছে না কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনে। কেন? মেট্রো কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রী বা রেলমন্ত্রীর সময় মিলছে না। সেই কারণেই আটকে রয়েছে কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের উদ্বোধন।
সব প্রস্তুতি শেষ:
এই লাইনের ট্রায়াল রান হয়েছিল গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে। তারপরে রেলওয়ে সেফটি কর্তৃপক্ষের পরিদর্শনও হয়েছে। প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই মিলে গিয়েছে ছাড়পত্র। প্রস্তুতি শেষ সব স্টেশনের। কিন্তু এখনও অপেক্ষা শেষ হয়নি। প্রাথমিকভাবে ফেব্রুয়ারি মাসে পরিষেবা চালু হবে জানানো হলেও, মার্চ মাসের অর্ধেক কেটে গেলেও উদ্বোধন হল না কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের। নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট মেট্রোর প্রথম পর্যায়ে নিউ গড়িয়া থেকে রুবি পর্যন্ত মেট্রোর চাকা এখনও গড়াল না। মেট্রো রেল সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রী না রেলমন্ত্রী- কাকে দিয়ে উদ্বোধন করানো হবে, তা এখনও ঠিক করা যায়নি। সময় পাওয়া যায়নি তাঁদের। তাই আটকে আছে উদ্বোধন।
মেট্রোর নানা লাইন:
নিউ গড়িয়া থেকে দক্ষিণেশ্বর রুটের দৈর্ঘ্য ৩১ কিলোমিটার। এটি ব্লু লাইন হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে অরেঞ্জ লাইনে নিউ গড়িয়া থেকে এয়ারপোর্টের দূরত্ব প্রায় ৩০ কিমি। তার মধ্যে নিউ গড়িয়া থেকে রুবি মোড়ের দূরত্ব ৫.৪ কিলোমিটার। রয়েছে ৫টি স্টেশন। অরেঞ্জ লাইন চালু হলে কবি সুভাষ বা নিউ গড়িয়া হবে কলকাতা মেট্রোর প্রথম জংশন স্টেশন। দক্ষিণেশ্বর থেকে এক টোকেনে আসা যাবে রুবি মোড় পর্যন্ত।
এতদিন মেট্রো করে দমদম থেকে রুবি আসার সুযোগ ছিল না। কিন্তু মেট্রো যোগাযোগ হয়ে গেলে মেট্রোর মাধ্যমেই এই যাতায়াত করা যাবে। উপকৃত হবেন বহু নিত্যযাত্রী। কিন্তু যাবতীয় পরীক্ষায় পাশ করার পরেও এখনও চালু হয়নি কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইন। সেই পরিষেবা কবে চালু হবে? অপেক্ষায় বিপুল সংখ্যক নিত্যযাত্রী।
নানা সময় নানা কারণে বউবাজারে বারবার থমকে গিয়েছে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর (East West Metro) কাজ। মার্চেই ফের বাধা কাটিয়ে বউবাজারে শুরু হয়েছে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর কাজ। যেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছিল আপাতত সেখানকার টানেলের কংক্রিট বেড তৈরির কাজ শেষ করা হবে। ওই কাজের আগেই সর্তকতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ওই এলাকার ৪৫ জন বাসিন্দাকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হোটেলে।























