Bus Strike: অস্থায়ী বাস কর্মীদের আন্দোলনের জের, জেলা থেকে শহরে চরম ভোগান্তি যাত্রীদের
Temporary Bus workers Protest: অস্থায়ী বাস কর্মীদের আন্দোলন অব্যাহত, চরম ভোগান্তি যাত্রীদের। বর্তমানে বাসের সংখ্যা সারাদিনে ৮ থেকে ১০ টি।

রঞ্জিত সাউ, কলকাতা: অস্থায়ী বাস কর্মীদের আন্দোলন ( Bus Strike) অব্যাহত যার জেরে বাস চলাচল ব্যাহত ভোগান্তি শিকার সাধারণ মানুষ। বেতন বাড়ানো এবং সঠিক সময় ডিউটি দেওয়া। মূলত এই দুটি দাবি নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে আন্দোলন করছে অস্থায়ী বাস কর্মীরা। জেলা থেকে শহর চিত্রটা একই। এই আন্দোলনের যেড়ে করুণাময়ী বাস ডিপোতেও প্রভাব পড়েছে। সকাল থেকে যাত্রী ভোগান্তি। যথেষ্ট ব্যস্ততম জায়গা করুণাময়ী, এখান থেকেই বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন প্রান্তে যাওয়া আসা করে নিত্যযাত্রীরা। এই আন্দোলনের জেরে অন্যান্য দিনের তুলনায় করুণাময়ী বাস ডিপোতে বাস সংখ্যা অনেকটাই কম। ৪০ থেকে ৫০টি বাস সারাদিনে যাওয়া আসা করতো সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে বর্তমানে বাসের সংখ্যা সারাদিনে ৮ থেকে ১০ টি। দাবি আদায়ে অনার অস্থায়ী বাস কর্মীরা। কত দিনে এই সমস্যা সমাধান হয় সেটাই এখন দেখার।
মহালয়া পেরিয়ে গেলেও দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার অস্থায়ী কর্মীদের কর্মবিরতি অব্যাহত। এই নিয়ে দুর্ভোগের সপ্তাহ পেরোল। বেশ কিছু জেলায় সরকারি বাস পরিষেবা কার্যত বন্ধের মুখে। যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে। বীরভূমের রামপুরহাট ও সিউড়ি, দুটি ডিপো থেকেই বন্ধ বাস চলাচল। ক্ষুব্ধ যাত্রীদের প্রশ্ন, পুজোর মুখে কেন দিনের পর দিন বাস চলাচল বন্ধ। যাত্রীরা জানাচ্ছেন, ব্যবসার কাজে হোক বা পুজোর সময় বাড়ি ফেরা, লাগাতার বাস বন্ধের জেরে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তাঁরা।পুরুলিয়ার সরকারি বাস ডিপোতেও অচলাবস্থা। এখানকার কর্মবিরতি পাঁচদিনে পড়ল। বেরোয়নি বাস। অনেক যাত্রীকে বাস ডিপোতে এসে ফিরতে হয়েছে। সমকাজে সমবেতন, মাসে ২৬ দিন কাজ, স্থায়ীকরণ সহ একাধিক দাবিতে কর্মবিরতিতে নেমেছেন দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার অস্থায়ী কর্মীরা।
আরও পড়ুন, 'টাকা দেন বলেই, পুজো উদ্বোধন করছেন মুখ্যমন্ত্রী', বলেন দিলীপ, ১১-র আগের কথা মনে করালেন কুণাল
একাধিক রুটে দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার বাস পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। যার ফলে চরমে যাত্রী ভোগান্তি। দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার অস্থায়ী কর্মীদের কর্মবিরতির জেরে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরেও মিলছে না বাস। গত চারদিন পর রবিবারও ছবিটা বদলাল না।আন্দোলনকারীদের দাবি, স্থায়ীকরণ, সম কাজে সম বেতন, সবেতন ছুটি মঞ্জুর, মাসে অন্তত ২৬ দিনের কাজ। আর এই লাগাতার কর্মবিরতির জেরে চরমে উঠেছে যাত্রী হয়রানি। আগেই আন্দোলনকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দাবি না মানলে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটে নামা হবে। তবে তার আগেই এদিন বড় ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তীর। অস্থায়ী কর্মীদের দাবি মেনে মাসে ২৬ দিন কাজের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। তার বদলে অবিলম্বে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। যদিও কর্মবিরতির জেরে, শেষ অবধি পাওয়া খবরে ইতিমধ্যেই চরম অসুবিধার মুখে যাত্রীরা।
Before You Go
Suvendu Adhikari: "মোদিজির কথায় ডবল ইঞ্জিন মুখ্যমন্ত্রীর কথায় ট্রিপল ইঞ্জিন", কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?





















