Jadavpur Incident: যাদবপুরে ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পেল পুলিশ, নজরে মৃতার মোবাইল
Kolkata News: সবরকম সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে। সেই ভিত্তিতে এগোচ্ছে তদন্ত।

আবির দত্ত, কলকাতা : যাদবপুর ক্যাম্পাসে ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু, সিসি ফুটেজ পেল পুলিশ। যাদবপুর ক্যাম্পাসে গেলেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক। ঘটনাস্থল ঘুরে দেখলেন ডিসি SSD বিদিশা কলিতা। নজরে অনামিকা মণ্ডলের মোবাইল ফোন। গতকাল রাতে পরিবারের কাছ থেকে ফোন হেফাজতে নেয় পুলিশ। মোবাইলে লুকিয়ে কোনও তথ্য? খুঁজে বের করুক পুলিশ, দাবি পরিবারের। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার জনকে তলব পুলিশের। অনামিকার সহপাঠী ও ড্রামা ক্লাবের সদস্য ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য় তলব পুলিশের। কীভাবে পুকুরে পড়ে গেলেন অনামিকা, এখনও ধোঁয়াশা। অনামিকা কী একাই গেছিলেন? নাকি অন্য কেউ সঙ্গে ছিল? কেউ কি ফোন করে ছাত্রীকে ডেকেছিল? এই সব প্রশ্নের উত্তর জানতে চায় পুলিশ।
সবরকম সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে। সেই ভিত্তিতে এগোচ্ছে তদন্ত। যে জলাশয় থেকে ছাত্রীর দেহ পাওয়া গিয়েছিল, সেই জলাশয় কতটা গভীর তা খতিয়ে দেখেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক। পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয় জলাশয়। যেখানে অনুষ্ঠান চলছিল, সেখান থেকে এই এলাকা যেখান থেকে ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হয়েছে তা কতটা দূরে সেটা পরিমাপ করে খতিয়ে দেখেছেন ওই ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক। ঘটনাস্থল খুঁটিয়ে প্রদর্শন করেন তিনি। সঙ্গে ছিল যাদবপুর থানার পুলিশ। এছাড়াও ছিলেন ডিসি SSD বিদিশা কলিতা। ময়নাতদন্তের পর সাধারণত ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকরা তিনটি উত্তর খোঁজেন, টাইম অফ ডেথ, ম্যাটার অফ ডেথ, কজ অফ ডেথ। এর উত্তর পাওয়ার জন্য ঘটনাস্থল ভালভাবে পরিদর্শন করা হয়। এক্ষেত্রেও তা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক খুঁটিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছেন ঘটনাস্থল।
পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, প্রকৃত তদন্ত হোক। এটা নিছক ঘটনা বলে মানতে নারাজ তারা। ছাত্রীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে মৃতার পরিবার। তাদের আরও দাবি ছাত্রীর বন্ধুবান্ধবকে জিজ্ঞেস করা হোক যাঁরা সেদিন ওই অনুষ্ঠানে ছিলেন। এই মর্মে অনামিকার সহপাঠী ও ড্রামা ক্লাবের সদস্য ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য় তলব করেছে পুলিশ। অন্যদিকে, গতকাল রাতে পুলিশের হাতে অনামিকার মোবাইল তুলে দিয়েছে তাঁর পরিবার। এই ফোন এক অধ্যাপক অনামিকার পরিবারের সদস্যদের দিয়েছিলেন। তদন্তের স্বার্থে ভালভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে মোবাইল ফোনটি। ডিসি SSD বিদিশা কলিতা জানিয়েছেন, সমস্ত দিক থেকেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে গোটা বিষয়টি।






















