Tiljala Incident : মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি, তিলজলা অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর ঘটনায় কড়া পদক্ষেপের পথে সরকার
Suvendu Adhikari : এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে ইতিমধ্যে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সৌভিক মজুমদার, কলকাতা : তিলজলা অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর ঘটনায় কড়া পদক্ষেপের পথে সরকার। তিলজলায় চামড়ার কারখানায় আগুন লেগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগুনে ঝলসে মৃত্যু হয় তাঁদের। মৃতদের নাম- মহম্মদ হাসানুজ্জামান ও রাজেত আলি মণ্ডল। আহত হয়েছেন ৩ জন। তাঁদের চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়েছে। মহম্মদ ইউসুফ, গৌর সর্দার নামে দুইজন ভেন্টিলেশনে রয়েছেন এবং ধোঁয়ায় অসুস্থ মহম্মদ তানভির নামে আরও এক যুবক। অত্যধিক পরিমাণে ধোঁয়া শ্বাসনালী এবং ফুসফুসে ঢুকে যাওয়ায় দুইজনকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে ইতিমধ্যে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি কাল তাদের রিপোর্ট পেশ করবে। মূলত, পুর কমিশনার যেটা মনে করছেন, ওই অঞ্চলে অধিকাংশ বাড়ি বেআইনি। কোনও অনুমতি না নিয়ে সেইসব বাড়ি তৈরি করা হয়েছিল। এই বাড়িগুলো তৈরি করার ক্ষেত্রে কোনও অগ্নিসুরক্ষা বিধি মানা হয়নি। যেখানে অগ্নিকাণ্ড হয়েছে সেখানে সবটাই বেআইনিভাবে হয়েছে এবং নিয়ম না মেনে হয়েছে। ফলে, কাল রিপোর্ট পেশ করার পরে কলকাতা পুরসভা এবং সরকারের তরফ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
বিস্তারিত...
তিলজলার ওই বিল্ডিংয়ে লেদার কোম্পানি ছিল। তারই দোতালায় আগুন লাগে। দুপুর পৌনে ২টো নাগাদ আগুন লাগে বলে জানা যায়। এরপরে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দমকলের দু'টি ইঞ্জিন এসে পৌঁছয়। দমকর্মীদের তৎপরতায় ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে আগুন নেভানো সম্ভব হয়। ৫ জনকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। নিকটবর্তী হাসপাতাল চিত্তরঞ্জনে নিয়ে যাওয়া হলে, দুইজনকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। ঘটনাস্থলে আসেন পুলিশ অফিসাররা। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, দু'দিকে গেট আছে, গেটের মুখে। বেরনোর মতো পজিশন ছিল না। দু'খানা দরজার পাশেই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। শেষ অবধি পাওয়া খবরে, যে তিনজন সংকটজনক অবস্থায় রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে মহম্মদ ইউসুফ এবং গৌর সর্দার, একজনের বাড়ি হাড়োয়াতে, একজনের বাড়ি পার্কসার্কাস সংলগ্ন এলাকাতে। এই গৌর সর্দার এবং মহম্মদ ইউসুফকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। মূলত চিকিৎসকেরা যেটা বলছেন, অত্যাধিক পরিমাণে ধোঁয়া শ্বাসনালী ও ফুসফুসে ঢুকে যাওয়ায়, তাঁদের শারীরিক অবস্থার অত্যন্ত অবনতি হয়েছে। অপরজনকে জেনারেল ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। তবে তিনিও ওই ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।






















