ED Summoned: বালি পাচার মামলায় কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনারকে তলব! ঝাড়গ্রামের প্রাক্তন জেলাশাসকও তালিকায়?
ED সূত্রে খবর, বালি পাচার মামলার তদন্তে নেমে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের নাম উঠে এসেছে। এই সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান ED আধিকারিকেরা।

কলকাতা: এবার বালি পাচার মামলায় স্ক্যানারে DCP শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। বালি পাচার মামলায় কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনারকে তলব। আগামীকাল ED দফতরে হাজিরার নির্দেশ। ঝাড়গ্রামের প্রাক্তন জেলাশাসক সুনীল আগরওয়ালকেও তলব করা হয়েছে।
ED সূত্রে খবর, বালি পাচার মামলার তদন্তে নেমে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের নাম উঠে এসেছে। এই সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান ED আধিকারিকেরা। এই মামলায় ঝাড়গ্রামের প্রাক্তন জেলাশাসক সুনীল আগরওয়ালকেও তলব করেছে ED।
"নিজের প্রভাব খাটিয়ে জয় এস কামদারকে জমি দখলে সাহায্য করতেন কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস।" আদালতে এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আদালতে পেশ করা রিপোর্টে ED দাবি করেছে, "মূলত ৩ ধরনের জমি ছিল তাদের টার্গেটে - যুগ্ম মালিকানা থাকা জমি, ভাড়াটিয়া নিয়ে জটিলতা রয়েছে এমন জমি ও যে জমির মালিক রাজ্যের বাইরে থাকেন।"
এমনকী ED-দাবি, এর আগে এই মর্মে কালীঘাট, ফুলবাগান, রবীন্দ্র সরোবর ও উল্টোডাঙা থানায় বেশ কয়েকটি অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।" আদালতে পেশ করা রিপোর্টে ED দাবি করেছে, "সান পাওয়ার রিয়েলিটি LLP নামের কোম্পানি থেকে প্রাপ্ত বেশ কিছু নথি থেকে জানা গেছে, এই কোম্পানি থেকেই কলকাতা পুলিশের DCP শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের দুই ছেলের নামে দুটি ফ্ল্যাট কেনা হয়েছে। ফ্ল্যাট বাবদ দেওয়া হয়েছে ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ৮৫ টাকা ও ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ২৬১ টাকা।
এমনকী একটি বেআইনি নির্মাণও এই কামদারের থেকেই নিয়েছিলেন শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। তা নিয়ে ২০১১ সাল থেকে চলছে মামলা। নিজের প্রভাব খাটিয়ে কামদারকে জমি দখলেও সাহায্য করতেন তিনি।
আদালতে পেশ করা রিপোর্টে ED দাবি করেছে, তদন্তে নেমে একটি হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের উল্লেখ পাওয়া গেছে। যেখানে শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসকে তার হোয়াটসঅ্যাপ স্টেটাসে থাকা ছবি মুছে দেওয়ার জন্য বলেছেন জয় এস কামদার। প্রথমে 'ডিলিট করুন' বলে মেসেজ, পরবর্তীতে শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসকে ২টি হোয়াটসঅ্যাপ কলও করেছেন কামদার।





















