Malda News: তরুণীকে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে সালিশিতে মারধর, যুবককে উদ্ধারে গিয়ে 'আক্রান্ত' পুলিশ
Police Attacked In Malda : অভিযোগ, তৃণমূল নেতার নির্দেশেই বাঁশ-লাঠি-ইট-পাথর নিয়ে পুলিশকে তাড়া, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, উত্তেজনা মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর

মালদা: তৃণমূলের 'বিচার' রুখতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ। ফের আক্রান্ত উর্দিধারী। তৃণমূল নেতার সালিশি সভায় যুবককে মারধরের অভিযোগ। যুবককে উদ্ধার করতে গিয়ে আক্রান্ত হল পুলিশ।
আরও পড়ুন, ED হেফাজতে জীবনকৃষ্ণ, শুভেন্দুর নিশানায় অভিষেক, 'কে কত টাকা তুলেছে, কোথায় গেছে, ছবিতে সব স্পষ্ট..' !
অভিযোগ, তৃণমূল নেতার নির্দেশেই বাঁশ, লাঠি, ইট, পাথর নিয়ে পুলিশকে তাড়া। পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর। এবার ঘটনাস্থল মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর। অভিযোগকারিণীর আত্মীয় বলেন, বিচারে আমাদের সবাইকে ডাকা হয়, আমরা অভিযোগ করেছিলাম। তারপর খবর পেয়ে পুলিশ আসে, পুলিশ বিচার করতে দেয়নি, ওই যুবককে নিয়ে যেতে চায়।
ঘটনাটি ঘটেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার সুলতাননগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। পরিবার ও পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার দুপুরে গ্রামের এক তরুণের বিরুদ্ধে ইভটিজিং-এর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ জানানো হয় হরিশ্চন্দ্রপুর থানায়। অভিযুক্তকে ধরতে গ্রামে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে, ঘটনা নিয়ে সালিশি সভা বসিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা জিয়াউল হক।
শাসকের বিচারসভায় অভিযুক্ত যুবককে মারধর করা হচ্ছিল। পুলিশ যুবককে উদ্ধার করতে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা ঝাঁপিয়ে পড়েন পুলিশের ওপর। কিন্তু, থানায় অভিযোগ হওয়ার পরেও কেন সালিশি সভা ডাকলেন তৃণমূল নেতা? পুলিশ প্রশাসন থাকা সত্ত্বেও কেন আইন হাতে তুলে নিলেন তিনি? যদিও তৃণমূল নেতার দাবি, তিনি সালিশি বসাননি। মীমাংসা করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন মাত্র।
মুর্শিদাবাদে তৃণমূল নেতার হাতে মার খেয়েছিলেন ট্রাফিক গার্ডের ASI। এবার মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে তৃণমূল নেতার সালিশি সভায় আক্রান্ত যুবককে উদ্ধার করতে গিয়ে আক্রান্ত হল উর্দিধারীরা। পুলিশের গাড়িও ভাঙচুর করা হল। ঘটনায় ২ জন সাব ইন্সপেক্টর-সহ ৫ জন পুলিশ কর্মী জখম হয়েছেন। তৃণমূল নেতার সাফাই, তিনি সালিশি বসাননি। মীমাংসা করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কটাক্ষ করেছে বিজেপি।
ঘটনাটি ঘটেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার সুলতাননগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার দুপুরে গ্রামের এক তরুণের বিরুদ্ধে ইভটিজিং-এর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ জানানো হয় হরিশ্চন্দ্রপুর থানায়। অভিযুক্তকে ধরতে গ্রামে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে, ঘটনা নিয়ে সালিশি সভা বসিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা জিয়াউল হক। শাসকের বিচারসভায় অভিযুক্ত যুবককে মারধর করা হচ্ছিল। পুলিশ যুবককে উদ্ধার করতে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা ঝাঁপিয়ে পড়েন পুলিশের ওপর।কিন্তু, থানায় অভিযোগ হওয়ার পরেও কেন সালিশি সভা ডাকলেন তৃণমূল নেতা?পুলিশ প্রশাসন থাকা সত্ত্বেও কেন আইন হাতে তুলে নিলেন তিনি?যদিও তৃণমূল নেতার দাবি, তিনি সালিশি বসাননি। মীমাংসা করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন মাত্র।






















