Mamata Banerjee: 'বাজেটে বাংলা বঞ্চিত, পুরোটাই মিথ্যে কথার ফুলঝুরি, দেশকে শেষ করে দিচ্ছে', তীব্র সমালোচনা মমতার
Mamata Banerjee on Budget 2026: কেন্দ্রের বাজেটে তীব্র সমালোচনা মুখ্যমন্ত্রীর। মমতার কথায়, 'বিহার তো এর আগে বাজেট থেকে পেয়েছিল, বাংলা বঞ্চিত হল।'

কলকাতা: কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের এ বছরের পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেছেন। কয়েক মাস পরেই দেশের পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন, তার আগে এই বাজেটে নজর ছিল। কোন রাজ্যের জন্য কী কী ঘোষণা করতে পারেন সেদিকেই তাকিয়ে ছিল সব মহল।
এদিকে, বাজেট পেশের পর কটাক্ষ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনই দিল্লি গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লি বিমানবন্দর এ নেমে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, 'শুধু আওয়াজ আছে কিন্তু দিশাহীন বাজেট। ভিশন, মিশন কিছুই নেই এই বাজেটে। মহিলা-কৃষক-গরীব মানুষদের কথা বলাই হয়ন এই বাজেটে। যুবকদের জন্যও কিছু নেই। শিক্ষা ও সুরক্ষা খাতে টাকা কমানো হয়েছে। বাজেট তো নয় একদম মিথ্যের জঞ্জাল। একে নিষ্ফলা বাজেটই বলা হয়।'
কেন্দ্রের বাজেটে তীব্র সমালোচনা মুখ্যমন্ত্রীর। মমতার কথায়, 'বিহার তো এর আগে বাজেট থেকে পেয়েছিল, বাংলা বঞ্চিত হল। দিশাহীন বাজেট, ভোট পাবে না জেনে বাংলাকে বঞ্চিত। শেয়ারবাজের বিরাট ধস নেমেছে। সেনসেক্স প্রায় ১০০০ পয়েন্ট পড়েছে। ফ্রেট করিডরের কথা বলছে, সেটা আমি ২০০৯ সালে বলেছিলাম। এতদিন ধরে সেই প্রকল্প বাস্তবে রূপায়ণ হয়নি', কটাক্ষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, 'শিক্ষার জন্য কিছুই করেনি এই বাজেটে। গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা হয়েছে এই বাজেটে। পশ্চিমবঙ্গে বিধানভোটে হারবে জেনে বাংলাকে কিছুই দেয়নি কেন্দ্র। এর পাশাপাশি দেশের সব ক্ষেত্রকে ধ্বংস করছে এই সরকার। চোরের মায়ের বড় গলা, পুরোটাই মিথ্যে কথার ফুলঝুরি। হাম্পটি ডাম্পটি বাজেট, কটাক্ষ মমতার।
বাজেটের পর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'লক্ষ্যহীন বাজেট। এই বাজেটে দিশা নেই, সাধারণের জন্য ভাবেনি কেন্দ্র সরকার। বাংলার জন্য বাজেটে কিছুই নেই'।
নবমবারের জন্য বাজেট পেশ করছেন নির্মলা সীতারমণ। ফ্রেট করিডরের মাধ্যমে পশ্চিম ভারতের সুরাতের সঙ্গে জুড়তে চলেছে পূর্ব ভারতের ডানকুনি। বাজেটে ঘোষণা নির্মলা সীতারমণের। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত করিডর পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও পরিচ্ছন্ন, দ্রুত এবং সাশ্রয়ী করবে। নতুন ব্যবস্থায় যানজটপূর্ণ সড়ক এবং রেল নেটওয়ার্কের উপর চাপ কমবে এবং শিল্পের লজিস্টিক খরচ কমবে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী কেন্দ্র বারাণসীর সঙ্গে জুড়তে চলেছে এরাজ্যের শিলিগুড়ি। এছাড়াও মুম্বই থেকে পুণে, পুণে থেকে হায়দরাবাদ, হায়দরাবাদ থেকে বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ থেকে চেন্নাই এবং চেন্নাই থেকে বেঙ্গালুরু, এই সব রুটেও তৈরি হবে হাই স্পিড রেল করিডর।





















