Sujit Bose : পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নয়া মোড়! ED দফতরে হাজিরা দিলেন সুজিত বসু
ED Summons Sujit Bose : পুর নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ED দফতরে হাজিরা দিলেন সুজিত বসু। ছেলে সমুদ্র বসু ও আইনজীবীকে নিয়ে ED দফতরে পৌঁছন তিনি।

কলকাতা : পুর নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ED দফতরে হাজিরা দিলেন সুজিত বসু। আজ সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ ছেলে সমুদ্র বসু ও আইনজীবীকে নিয়ে ED দফতরে পৌঁছন তিনি। এর আগে একই মামলায় কোর্টের নির্দেশে পয়লা মে ED দফতরে হাজিরা দেন সুজিত বসু। CGO কমপ্লেক্সে প্রায় ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল তাঁকে। এরপরে সেদিনের বয়ান খতিয়ে দেখে ফের তাঁকে তলব করে ED। পয়লা মে জিজ্ঞাসাবাদের পরেই ED জানিয়েছিল, ফের তাঁকে তলব করা হতে পারে। ED তলবে সুজিত বসু জানান, ভোট পরবর্তী হিংসার কারণে তিনি হাজিরা দিতে পারছেন না। অবশেষে আজ হাজিরা দিলেন সুজিত বসু। অন্যদিকে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবারও ED-র তলবে হাজিরা দিলেন না রথীন ঘোষ। ৫ বার তাঁকে তলব করে ED। প্রতিবারই হাজিরা এড়িয়েছেন তিনি। এর আগে পায়ের চোটের কারণে আসতে পারছেন না বলে জানিয়েছিলেন।
সুজিত বসু হাজিরা দিলেও রথীন ঘোষ আবারও হাজিরা এড়িয়ে যান। এর আগে যখন দুজনকে ED হাজিরা দিতে বলেছিল, তখন দুজনেই হাজিরা এড়িয়েছিলেন। ইডির সূত্র মারফত জানা গিয়েছিল যে, রথীন ঘোষ একটি চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলেন, উনি শৌচাগারে পড়ে গিয়ে পায়ে চোট পেয়েছেন। যার কারণে চিকিৎসক তাঁকে বিশ্রাম নিতে বলেছেন। তাই তিনি হাজিরা দিতে পারবেন না। আর প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু ইডিকে জানিয়েছিলেন, ভোট-পরবর্তী হিংসায় তাঁর দলের বহু কর্মী আক্রান্ত। তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি খুব ব্যস্ত, তাই তিনি হাজিরা দিতে পারবেন না। তাঁকে যেন আরও কিছু দিন সময় দেওয়া হয় সেই অনুরোধও জানিয়েছিলেন। কিন্তু অবশেষে সোমবার হাজিরা দিলেন তিনি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগেও সুজিত বসুকে তলব করা হয়। হাজিরাও দেন তিনি। প্রায় ৯ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে CGO কমপ্লেক্সে । মৌখিকভাবে তাঁকে জানানো হয়েছিল ফের ৬ তারিখ আসার জন্য়। সঙ্গে বেশ কিছু নথিও আনতে বলা হয়েছিল সুজিত বসুকে। SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তের সময় অয়ন শীলকে প্রথম গ্রেফতার করেছিল CBI। তল্লাশির সময় অয়ন শীলের অফিস থেকে উদ্ধার হয় বেশ কিছু ওএমআর শিট। আর এখান থেকেই পুরসভার নিয়োগের দুর্নীতির হদিস পান তদন্তকারীরা। তদন্তে নেমে অনেককে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা। পরে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্তে নামে ইডিও। আর এখান থেকেই ফাঁস হয়ে যায় সবকিছু। CBI আধিকারিকরা জানান, অয়নের মাধ্যমে প্রায় ১৬টি পুরসভায় নিয়মবহির্ভূত ভাবে অনেকে চাকরি দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন - ‘শৌচাগারে পড়ে চোট’! 'কর্মীরা আক্রান্ত', ফের ED-র হাজিরা এড়ালেন সুজিত বসু ও রথীন ঘোষ























