Murshidabad News: অ্যাম্বুলেন্স নয় ভরসা খাটিয়া, বেহাল রাস্তায় ভোগান্তি ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর
Bad Road Condition: ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীকে খাটিয়ায় চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে। এবার ঘটনাস্থল মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম।

রাজীব চৌধুরী, নবগ্রাম: মুর্শিদাবাদের নবগ্রামে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীকে খাটিয়ায় চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, রাস্তা বেহাল, তাই গ্রামে ঢুকছে না অ্যাম্বুল্যান্স বা কোনও গাড়ি। তাই মুমুর্ষু রোগীকে নিয়ে যেতে ভরসা খাটিয়া। ভাইরাল ছবি ঘিরে নিন্দার ঝড়।
ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীকে খাটিয়ায় চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে। এবার ঘটনাস্থল মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই ছবি নবগ্রামের টিকনড়া রায়পাড়া গ্রামের। পরিবার সূত্রে খবর, ক্যানসার আক্রান্ত ওই রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হলেও গ্রামে ঢুকতে পারেনি অ্যাম্বুল্যান্স। বাধ্যা হয়ে পরিজনরা খাটিয়া করে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ভোটের সময় শুধুমাত্র প্রতিশ্রুতি মেলে, কিন্তু কাজের কাজ হয় না। তাই ঘরে ঘরে খাটিয়া রাখতে হয়। মঙ্গলবার খারাপ রাস্তায় ধানের চারা পুঁতে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। নবগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অদিতি মণ্ডল বলেন, "রাস্তাটা সরেজমিনে তদন্ত করে দেখলাম, রাস্তাটার পরিস্থিতি খুব খারাপ। আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, আমিও চেষ্টা করছি, যত তাড়াতাড়ি পারব, রাস্তাটা করে দেব।''
কিছুদিন আগেই এরকম ছবি দেখা গিয়েছিল, পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়, দাসপুর ও চন্দ্রকোণায়। চন্দ্রকোণার যদুপুর গ্রামের ষাটোর্ধ্ব মহিলাকে দেড় কিলোমিটার রাস্তা ক্যাম্প খাটে চাপিয়ে নিয়ে যেতে হয় বাড়িতে। ভাইরাল ছবিতে দেখা যায়, বন্যায় ভেঙেচুরে গেছে চন্দ্রকোণা ২ নম্বর ব্লকের বসনছোড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শিলাবতী নদীর ধারে পাকা রাস্তা। গ্রামের রাস্তাও বহুদিন ধরেই বেহাল। ফলে হাসপাতাল থেকে ফেরার সময় ক্যাম্প খাটে চেপে কাদামাটি ভর্তি রাস্তা দিয়েই বাড়ি ফিরতে হল যদুপুর গ্রামের বাসিন্দা যমুনা বেরাকে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বিক্ষোভ দেখিয়ে মাঝেমধ্যে জোড়াতালি দিয়ে রাস্তা মেরামত করানো গেলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। বেহাল রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করতে হয় গ্রামবাসীদের। চন্দ্রকোণা ২ নম্বর ব্লকের BDO-র দাবি করেন, বন্যার কারণে রাস্তার ক্ষতি হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে মেরামত করা যায়নি।
শুধু পশ্চিম মেদিনীপুর বা মুর্শিদাবাদ নয়, বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটিতেও ধরা পড়েছে বেহাল পথের যন্ত্রণার ছবি। বেলডাঙ্গা থেকে চুঁড়ুরি গ্রামের দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার বছর পাঁচেক আগে এই রাস্তায় পাকা হয়। অভিযোগ, তারপর আর কোনও সংস্থার হয়নি। বর্তমানে রাস্তা জুড়ে তৈরি হয়েছে অসংখ্য ছোট বড় খানাখন্দ। খানাখন্দে জল জমে তৈরি হয়েছে মৃত্যুফাঁদ। প্রশাসনের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগে এবার সেই রাস্তায় নামলেন চন্দনা বাউড়ি। বুধবার দলের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে রাস্তায় জমে থাকা জলে ধানের চারা পুঁতে, মাছ ছেড়ে প্রতিবাদ জানালেন শালতোড়ার বিজেপি বিধায়ক। চন্দনা বাউড়ি বলেন, "এখানে এখটা পাথর খাদান ও ক্রাশার আছে। সেখান থেকে ১০ টনের বেশি জিনিস বোঝাই করে প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ৫০-৬০টন পর্যন্ত মাল এদিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মানুষের জন্য আজ রাস্তায় নামতে হয়েছে।''






















