Nabadwip-Mayapur Bus: নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাড়িতে ধাক্কা পুণ্যার্থীভর্তি বাস, নবদ্বীপ-মায়াপুরে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা
Bus Accident: নবদ্বীপ মায়াপুর থেকে খানাকুল যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার কবলে পুণ্যার্থীবাহী বাস,গুরুতরভাবে আহত ৮ পুণ্যার্থী।

কমলকৃষ্ণ দে, পূর্ব মেদিনীপুর: নবদ্বীপ মায়াপুর থেকে খানাকুল যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার কবলে পুণ্যার্থীবাহি বাস,গুরুতরভাবে আহত ৮ পুণ্যার্থী। জামালপুরের চকদীঘি ইলামবাজার এলাকার ঘটনা।
হুগলির জামালপুরে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মায়াপুর থেকে খানাকুল ফিরছিল প্রায় ৬০ জন যাত্রী নিয়ে একটি বাস। সেই সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে বিদ্যুতের খুঁটিতে সজোরে ধাক্কা মারে বাসটি। দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, বাসটিতে মায়াপুর থেকে ফিরছিলেন খানাকুলের বাসিন্দারা। হঠাৎই বাসের গতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এরপর রাস্তার পাশে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা মারতেই বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। দুর্ঘটনার পর বাসের ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে। স্থানীয় মানুষ ও পুলিশ দ্রুত উদ্ধারকাজে নামে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,প্রায় ৬০ জন পুণ্যার্থী নিয়ে বাসটি মায়াপুর থেকে খানাকুল যাওয়ার পথে বুধবার খুব সকালে জামালপুরের ইলামবাজারের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে রাস্তার ধারে থাকা একটি ইলেকট্রিকপোলে ও পরে একটি বসতবাড়িতে গিয়ে ধাক্কা মারে। ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হন ৮ পুণ্যার্থী। তড়িঘড়ি তাঁদের উদ্ধার করে জামালপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক জানিয়ে তাঁদের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার করে।
আরও পড়ুন, পঞ্চায়েতে স্পেশাল অডিট, প্রধান থেকে BDO- ধরা পড়লেই এবার... দিলীপের কড়া হুঁশিয়ারি
প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, অতিরিক্ত গতি অথবা চালকের অসাবধানতার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। যদিও পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলেও জানা যাচ্ছে। দুর্ঘটনার জেরে কিছু সময়ের জন্য এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়।
বারবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বাস দুর্ঘটনার ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে। বিশেষ করে দূরপাল্লার বাসে অতিরিক্ত গতি ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাব নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। হুগলির এই দুর্ঘটনার পর ফের সামনে এল সেই একই প্রশ্ন— কতটা নিরাপদ রাজ্যের সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থা?























