Duttapukur News: 'প্রাপ্য না বুঝিয়ে এখানে হোটেল চালানো যাবে না', তৃণমূল নেতার অনুগামীদের 'দাদাগিরি' ! যা বললেন অভিযুক্ত
TMC News: তোলা না পেয়ে হোটেলে তাণ্ডব, ভাঙচুরের অভিযোগ তৃণমূল নেতার অনুগামীদের বিরুদ্ধে।

দত্তপুকুর : দত্তপুকুরে হোটেলে তৃণমূল নেতার অনুগামীদের 'দাদাগিরি'-র ঘটনায় মামলা রুজু। অভিযুক্ত মান্তু সাহা-সহ হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু পুলিশের। ঘটনা জানতে হোটেল মালিককে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের অফিসে তলব করা হয়েছে। তোলা না পেয়ে হোটেলে তাণ্ডব, ভাঙচুরের অভিযোগ তৃণমূল নেতার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ দত্তপুকুর ২ পঞ্চায়েতের তৃণমূল উপপ্রধান মান্তু সাহার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। ক্যাশ কাউন্টার থেকে নগদ ১ লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা লুঠেরও অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারী হোটেল মালিক সৌমেন দাস বলেন, "আমি জাস্ট হোটেল থেকে বেরিয়ে আসছি...আসার আধ ঘণ্টার মধ্যে আমার ম্যানেজার ফোন করেন। ফোন করে বলেন, লোকাল লোকজন এসে ভাঙচু চালাচ্ছে। আপনাকে আসতে হবে। আমি বললাম, তাদের সমস্যাটা কী ? বলছে, না মান্তু সাহাকে প্রাপ্য না বুঝিয়ে এখানে হোটেল চালানো যাবে না। অ্যামাউন্ট দাবি করেনি। কিন্তু, বলেছে প্রাপ্য না দিয়ে এখানে আগেও হোটেল ব্যবসা করা যায়নি। ভবিষ্যতেও করা যাবে না।" অভিযুক্ত মান্তু সাহা বলেন, "এর আগে ওখানে অবৈধ যৌন ব্যবসা চালু হয়েছিল। তখন গ্রামের মানুষরা ভেঙে দিয়েছে। এবারও নতুন করে দুই বছর পর আবার নতুন করে দেহ ব্যবসা চালু করেছে। যেটা গ্রামের মানুষরা গিয়ে প্রতিবাদ করেছে। ভাঙচুর কতটা হয়েছে বলতে পারব না। তবে, গ্রামের মানুষরা গিয়ে ওটা বন্ধ করে দিয়েছে। সম্পূর্ণ মিথ্যা। টাকা চাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। যদি কোনও প্রমাণ দেখাতে পারে মাথা পেতে নেব।"
দিনকয়েক আগে পানিহাটিতে (Panihati) কাউন্সিলরের 'দাদাগিরি'র অভিযোগ ওঠে ! ইমারতি ব্যবসায়ীর দোকানের পাশে স্ল্যাব ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ। পানিহাটির ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর শ্রাবন্তী রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ। দোকানের পাশে ড্রেনের ওপর স্ল্যাব ছিল, দাবি ইমারতি ব্যবসায়ীর। তাঁর অভিযোগ, ''সেই স্ল্যাবের ওপর ইমারতি দ্রব্যের জিনিস রাখতাম। না জানিয়ে কাউন্সিলরের লোকজন ভেঙে দিয়েছে।'' অন্যায়ভাবে স্ল্যাব ভেঙে দিয়েছে কাউন্সিলরের লোকেরা, এমনই অভিযোগ জানিয়ে পুরপ্রধানকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন সেই ব্য়বসায়ী। এদিকে, ড্রেনের সমস্যা হচ্ছিল সেই কারণেই ভাঙা হয়েছে বলে পাল্টা দাবি করেন কাউন্সিলর। ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর শ্রাবন্তী রায়, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বলছেন, ''তিন-চার মাস আগে একটা মাস পিটিশন করেছিল, এলাকার বাসিন্দারা, ব্যবসায়ীরা ও ক্লাব। ওঁর দোকানের ওই স্ল্য়াবের জন্য নিকাশি ব্যবস্থা আটকে রয়েছে। যা ক্ষতি হয়েছে। তা পুরসভার তরফে ফের তৈরি করে দেওয়া হবে। ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে আমার কোনও ব্যক্তিগত রোষ নেই। আশা করি কোনও সমস্যা হবে না।"






















