Dilip Ghosh: নিউটাউনের একটি আবাসনে কব্জি ডুবিয়ে হল ভুরিভোজ, মাছ-ভাতে মজলেন দিলীপ ঘোষ
Dilip Ghosh News: কর্মী, সমর্থকদের নিয়েই পাত পেড়ে খেলেন দিলীপ ঘোষ।

কলকাতা: ফের মাছে-ভাতে মজলেন দিলীপ ঘোষ। নিউটাউনের একটি আবাসনে কব্জি ডুবিয়ে মাছ-ভাত খেলেন খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে জিতে আসা বিজেপি (BJP News) প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। কর্মী, সমর্থকদের নিয়েই পাত পেড়ে খেলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন এবং প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা দিলীপ ঘোষের পাতে পড়ল ইলিশ, কাতলা, পাবদা।
এই বারের বিধানসভা নির্বাচনে বঙ্গ রাজনীতিতে মাছের প্রভাব ক্রমশই বেড়েছে। নির্বাচনী প্রচার থেকে জয় উদযাপন, সবেতেই দেখা গিয়েছে মাছ। বিজেপি নেতৃত্বের তরফে অভিযোগ তোলা হয়েছিল তারা ক্ষমতায় আসলে নাকি বাঙালিকে মাছ খেতে দেবে না, এমনই আতঙ্ক ছড়াচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে সেই তথ্য ভুল প্রমাণ করতে বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি নেতাদের মাছ খেতে দেখা গিয়েছে। এমনকী এ রাজ্যে প্রচারে এসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরও কব্জি ডুবিয়ে মাছ খেয়েছিলেন। দলের জয়ের পরেও বিজেপির এই 'মাছ-নীতি' অব্যাহত।
নির্বাচনে জয়লাভের পর পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। আর তার পরই খাস কলকাতার বুকে মাছ উৎসব করেছিল বিজেপি। সেখানে দেখা গিয়েছিল তাপস রায়, দিলীপ ঘোষদের। জয়ের পরে এখনও বিজেপির নেতা, মন্ত্রীরা বিভিন্ন জায়গায় জায়গায় গিয়ে কর্মীদের সমর্থকদের সঙ্গে মাছ, ভাত খেয়ে জয়ের আনন্দে মাতছেন। এদিনও তেমনই ছবি দেখা গেল।
আরও পড়ুন:- পালাবদলের পর ভাড়া নেওয়া পার্টি অফিস ছাড়তে মমতাকে ফোন ডেকোরেটিংয়ের মালিকের
এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষ জানান, 'তৃণমূল কংগ্রেসের যখন হারার পরিস্থিতি হল, তখনই মাছকে ঘিরে শুরু করে দিল... বাঙালিকে মাছ-ভাত খাওয়া শেখাচ্ছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়! এতদিন তাহলে আমরা কী খেয়েছি? কোনও পার্টি অসফল হলে মানুষকে বোকা বানানোর জন্য না না তত্ত্ব নিয়ে আসে।'
এরপরেই বাংলাকে মৎস্য উৎপাদনে স্বাবলম্বী করার প্রতিশ্রুতি দেন দিলীপ ঘোষ। '১৫ বছরে যারা বাংলাকে মৎস্য উৎপাদনে স্বাবলম্বী করতে পারল না, তারা বাঙালি মাছ খাওয়ানো শেখাচ্ছে। অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে মাছ নিয়ে এসে খাওয়াচ্ছে। বাবা-মা অযোগ্য হলে ছেলেপুলেকে ধার করে খাওয়ায়, এরা ১৫ বছর তাই করেছে। আমরা বাংলাকে মৎস্য উৎপাদনে স্বাবলম্বী করব। এখনও ডিম, মাছ, মাংস প্রচুর সংখ্যায় বাংলার বাইরে থেকে তো আনতে হয়।' জানান দিলীপ ঘোষ।
সেরা শিরোনাম























