North 24 Pargana: হুমকি ও তোলাবাজির ঘটনায় গ্রেফতার খড়দহ থেকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা
North 24 Pargana TMC News: তোলাবাজির ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় ব্য়ারাকপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি শুকুর আলি পুরকায়েতকে। গতকাল তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ।

সমীরণ পাল, উত্তর ২৪ পরগনা: উত্তর ২৪ পরগনায়, ধৃত তৃণমূল নেতাকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরই বাড়িতে অভিযান চালাল পুলিশ। তল্লাশি অভিযানে উদ্ধার হল নগদ ৫০ হাজার টাকা ও ১০-১২টি জমির দলিল। রবিবার, হুমকি ও তোলাবাজির ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় ব্য়ারাকপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি শুকুর আলি পুরকায়েতকে। গতকাল তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ।
রাজ্য়ে পালাবদলের পর থেকে তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারির ঘটনা নতুন কিছু নয়। গ্রেফতার করা হয়েছিল বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি অনুশুয়া রায় ও তৃণমূলের বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তারাশঙ্কর রায় এর ছেলে অনিন্দ্য রায়কে। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। রবিবার রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করে বাঁকুড়া জেলা পুলিশ। ধৃতকে এদিন খাতড়া মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই নানারকম অভিযোগ সামনে আসছিল অনিন্দ্য রায়ের নামে। শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে তিনি।
তোলাবাজির অভিযোগে কিছুদিন আগে গ্রেফতার করা হয়েছিল কলকাতা পুরসভার আরেক কাউন্সিলর সুস্মিতা ভট্টাচার্যকে। তিনি ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর। তাঁর স্বামীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। ওয়াটগঞ্জ থানার পুলিশ এই ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন যে তোলাবাজি আর চলবে না। ইতিমধ্যেই তোলাবাজির অভিযোগে একাধিক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ তৃণমূল কাউন্সিলর, কেউ পঞ্চায়েত সদস্য, কেউ ব্লক সভাপতি, কেউ বা প্রাক্তন বিধায়ক কিংবা মন্ত্রী। কলকাতার পুরসভার বেশ কয়েকজন কাউন্সিলরকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই তালিকায় এবার নাম জুড়ল ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুস্মিতা ভট্টাচার্য এবং তাঁর স্বামীর।
এদিকে, সুশান্ত ঘোষ ফেরার থাকলেও, পুলিশের জালে তাঁর গাড়ি চালক সুজিত চৌধুরী। ব্যবসায়ীদের থেকে টাকা তুলতেন তিনি। সুশান্তের হয়ে এই তোলাবাজি করতেন বলে অভিযোগ আনেন ব্যবসায়ীরা। প্রায় ৩ কোটি টাকা তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় সুজিতকে। রুবির মোড় থেকে আরবানা পর্যন্ত হকার দের থেকে এই টাকা তুলতেন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। অভিযোগ এই এলাকায় আগে ছিল ৩০০ টি স্টল, কিন্তু আরও ৩০০ এর বেশি স্টল বসিয়ে সবার থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সবার থেকে তোলাবাজির অভিযোগও আনেন ব্যবসায়ীরা। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই আনন্দপুর থানায় FIR হয় এবং গ্রেফতার করা হয়।






















