LIC Office: এলআইসি অফিস বন্ধ এই এলাকার! ভয়ঙ্কর অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে!
গতকাল এ রাজ্যে শিল্প ধর্মঘটের সমর্থনে দিনহাটার এলআইসি অফিস বন্ধ রাখে কর্মীরা।

কলকাতা: কেন্দ্রীয় সরকারের শ্রম কোড বাতিল সহ একাধিক দাবিতে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল CITU সহ ১০টি ট্রেড ইউনিয়নের যৌথ মঞ্চ। দেশের পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুর, হুগলি ও হলদিয়ার মতো শিল্প এলাকায় চলে ধর্মঘটের সমর্থনে কর্মসূচি।
গতকাল এ রাজ্যে শিল্প ধর্মঘটের সমর্থনে দিনহাটার এলআইসি অফিস বন্ধ রাখে কর্মীরা। আজ সেই এলআইসি অফিসে পতাকা লাগিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে।
সংগঠনগুলির দাবি, ২০১৯-২০ সালে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার পুরনো ২৯টি শ্রমআইন বাতিল করে ৪ টি 'শ্রমকোড' চালু করে। তা শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী। নতুন শ্রমকোডের মধ্যে রয়েছে বেতন সংক্রান্ত কোড, শিল্প সম্পর্ক সংক্রান্ত কোড, কাজের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের অবস্থা জনিত কোড, সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত কোড।
সংগঠনগুলির দাবি, এই শ্রমকোড চালু করে কর্মীদের নূন্যতম মজুরি, চিকিৎসা পরিষেবা সহ অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা এবং শ্রমিক সংগঠন করার অধিকার কেড়ে নিতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। তারই প্রতিবাদে দিকে দিকে চলে ধর্মঘট।
গতকাল SUCI-এর শ্রমিক সংগঠনের ধর্মঘটে বোলপুরে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়ালেন ধর্মঘট সমর্থনকারীরা। মালদায় ব্যাঙ্কের সামনে পিকেটিং ধর্মঘট সমর্থনকারীদের। মালদার ইংরেজবাজারে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সামনে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান ধর্মঘট সমর্থনকারীরা। চলে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়। সকাল থেকেই ব্যাঙ্কের সামনে পিকেটিং শুরু করেন ধর্মঘট সমর্থনকারীরা। পিকেটিং তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে বাধে গন্ডগোল। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকেও পুলিশের সঙ্গে তুমুল বচসায় জড়ান বনধ্ সমর্থনকারীরা। এছাড়াও দুর্গাপুর ও পূর্ব মেদিনীপুরে ধর্মঘট ঘিরে তৈরি হল বিক্ষিপ্ত উত্তেজনা। ধর্মঘটের সমর্থনে মিছিল হয় কলকাতাতেও।
দেশব্যাপী ধর্মঘটকে সমর্থন জানিয়ে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়েছিলেন, কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। এক্স হ্যান্ডলে লোকসভার বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, "আজ সারা দেশের লক্ষ লক্ষ শ্রমিক ও কৃষক নিজেদের অধিকারের দাবিতে রাস্তায় নেমেছেন। শ্রমিকদের আশঙ্কা - চারটি শ্রম আইন তাদের অধিকারকে দুর্বল করে দেবে। কৃষকদের উদ্বেগ - বাণিজ্য চুক্তি তাদের জীবিকায় আঘাত হানতে পারে এবং মনরেগাকে দুর্বল বা বাতিল করলে গ্রামগুলিকে সহায়তার শেষ উৎসটিও কেড়ে নেওয়া হতে পারে। তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যখন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তখন তাদেরই কণ্ঠস্বর উপেক্ষা করা হয়েছে। মোদিজি কি এখন শুনবেন? নাকি তাঁর উপরে কোনও 'grip'-এর প্রভাব খুবই শক্তিশালী? আমি শ্রমিক ও কৃষকদের দাবি এবং তাদের সংগ্রামের পাশে দৃঢ়ভাবে আছি।"























