Presidency University: প্রেসিডেন্সিতে সরস্বতী পুজোর অনুমতি ঘিরে বিতর্ক, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে কাঠগড়ায় তুলল তৃণমূল
Presidency Saraswati Pujo: প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে সরস্বতী পুজো করতে না দেওয়ার অভিযোগে সরব হল শাসকদলের ছাত্র সংগঠন, তৃণমূল ছাত্র পরিষদ।

কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায় এবং অর্ণব মুখোপাধ্যায়: প্রেসিডেন্সিতে সরস্বতী পুজো করতে দিচ্ছে না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলল খোদ তৃণমূলেরই ছাত্র সংগঠন। পাশাপাশি টিএমসিপি-র ঘোষণা, পুজোর অনুমতি না মিললে, বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটেই পুজো করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, ক্যাম্পাসে কোনও ধর্মাচারণ হয় না।
২৬ জানুয়ারি, প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনই এই বছরের সরস্বতী পুজো। বাকি আর মাত্র কয়েকটা দিন। ঠিক তার আগে, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে সরস্বতী পুজো করতে না দেওয়ার অভিযোগে সরব হল শাসকদলের ছাত্র সংগঠন, তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। শেষপর্যন্ত অনুমতি না মিললে, বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটেই সরস্বতী পুজো করার কথা জানিয়ে দিয়েছে তারা।
গত ১৯ জানুয়ারি, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অফ স্টুডেন্টসকে চিঠি দিয়ে ক্যাম্পাসে সরস্বতী পুজো করার অনুমতি চান পড়ুয়াদের একাংশ। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের অভিযোগ, বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে, পড়ুয়াদের সরস্বতী পুজো করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। যদিও এই বিষয়ে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্যাম্পাসে কোনও ধর্মাচারণ হয় না।
কিন্তু, প্রেসিডেন্সি কর্তৃপক্ষের এই যুক্তি মানতে রাজি নয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। কোঅর্ডিনেটর প্রান্তিক চক্রবর্তী বলেন, "আমাদের বলেছে করা যাবে না। আমরা না পেলে কলেজের গেটে করব। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন ধর্ম যার যার উৎসব সবার। সেকুলার মানে হল সর্বধর্মকে সম্মান দেওয়া, সবার ধর্মাচারণ।"
আরও পড়ুন, 'কোনও সরকারই তাঁকে যথাযোগ্য মর্যাদা দেয়নি, মোদিই সম্মান দিচ্ছেন', নেতাজির জন্মদিবসে মন্তব্য দিলীপের
এই ঘটনা নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, "কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় শুনলাম সরস্বতী পুজো করতে টেন্ডার ডাকছে।বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানেন, তৃণমূলের নেতাদের পুজো করতে দিলে তারা দুর্নীতি করবে। তাই প্রেসিডেন্সি কর্তৃপক্ষ পুজো করতে দিতে পারছেন না।"
শেষপর্যন্ত প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যদি ক্যাম্পাসে সরস্বতী পুজো করার অনুমতি না দেয়, সেক্ষেত্রে তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন কী পদক্ষেপ করে, সেটাই এখন দেখার।






















