SSC Scam: হাইকোর্টের নির্দেশে বিধাননগর উত্তর থানায় পৌঁছলেন ২ শিক্ষক-নেতা ; 'মিথ্যে মামলা দিয়েছে মুখপোড়া সরকার, ভয় পাই না, আত্মবলিদানের জন্য প্রস্তুত' !
Recruitment Scam SSC : বিকাশ ভবনের সামনে চাকরিহারাদের ধর্নার আজ ১৬ দিন, পুলিশি তলবের পর গর্জে উঠেছেন চাকরিহারা শিক্ষকরা, ক্ষোভ উগরে দিলেন আজ

কলকাতা: বিকাশ ভবনের সামনে চাকরিহারাদের ধর্নার আজ ১৬ দিন, জারি রয়েছে আন্দোলন। চাকরিহারাদের ধর্নায় আজ শোনা গেল উই ওয়ান্ট জাস্টিস স্লোগানও।' এই ২ জনের বিরুদ্ধে আপাতত কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ', রাজ্যের আশ্বাসের ভিত্তিতে গতকাল একথা জানান বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। হাইকোর্টের নির্দেশে বিধাননগর উত্তর থানায় পৌঁছলেন ২ শিক্ষক-নেতা ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল ও সুদীপ কোনার।
এদিন চাকরিহারা শিক্ষক সুমন বিশ্বাস বলেন, সরকার ভয় দেখাচ্ছে। এই যে ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল শিক্ষক নেতা, এবং গ্রুপ D স্টাফ, সুদীপ কোনার এদের নামে মিথ্যে মামলা দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের বিরুদ্ধে আমরা যখন লড়ছি, বুক চিতিয়ে, আমরা যখন বলছি, OMR এর মিরর কপিটা কেন দিচ্ছেন না ? যোগ্য অযোগ্যর তালিকা নিয়ে কেন রায় রিভিউ করে প্রত্যেকজনের চাকরি বাঁচাচ্ছেন না ? তখন সেই মুখপোড়া সরকার ভয় দেখাচ্ছে। যতক্ষণ না নিজের হকের চাকরি ফিরবে, আমরা বলতে চাই, আমরা কোনওভাবে ভয় পাই না। আমরা আত্মবলিদান দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। আত্মত্যাগ করার জন্য প্রস্তুত।'
শিক্ষক নেতা ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল বলেন, অনৈতিকভাবে আমার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে, সম্পত্তি ভাংচুরের। এটা একেবারেই অনৈতিক। সেদিন রাতে শিক্ষক শিক্ষিকাদের যেভাবে পেটানো হয়েছে, লাঠিচার্জ করা হয়েছে, প্রতিবাদ জানানো দরকার, জানাই সেইক্ষেত্রে। একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে, এবং শিক্ষক হিসেবে শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক কর্তব্য। যারা আন্দোলন করে বা যারা সত্যের পথে চলে, সরকার তাঁদের বিরুদ্ধে নানারকম প্রতিবন্ধকতা করার চেষ্টা তাঁরা চালায়। সেইক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে ভয়ের কোনও ব্যাপার কিছু নেই।'
সাংবাদিক: গতকালের শুনানিতে বলা হয়েছে যে, সেন্টাল পার্কে আপনারা ৫০ থেকে ১০০ জন আন্দোলন চালিয়ে যেতে পারেন। (বিকাশ ভবনের বাইরে) এই জায়গাটি মূলত ছেড়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। কীভাবে দেখছেন ?
চাকরিহারা শিক্ষিকা: দেখুন শুনানিতে বলা হয়েছে, ৫০ থেকে ১০০ জন মিলে জমায়েত করে ধর্না মঞ্চ চালাতে পারি। অধিকসংখ্যক করতে গেলে, সেন্ট্রাল পার্কে গিয়ে আমরা করতে পারি। এটা কিন্তু কোর্টের মৌখিক বয়ানে পাওয়া গিয়েছে। লিখিত কিন্তু কোন কিছু এই বিষয়ে আসেনি। যেহেতু লিখিত অর্ডার আসেনি, সেই জন্য আপাতত এই স্থান ত্যাগ করছি না। তাই আমাদের ধর্না যেমন চলছিল, সেই আগের মতোই এখানেই চলছে।
সাংবাদিক: সরকারি কর্মচারীদের যাদে অসুবিধা না হয়, সেটা মাথায় রেখে আন্দোলন চালাতে বলা হয়েছে,..
চাকরিহারা শিক্ষিকা: প্রথম কথা হচ্ছে শিক্ষকদের মতোই আগেরদিনও আচরণ করা হয়েছিল। এবং আমরা শিক্ষক সুলভ আচরণ করছি বলেই কিন্তু, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে এখানে অবস্থান করছি। উনি জানেন কিনা জানি না, কিংবা ভুলে গেছেন কিনা জানি না, আমরাও কিন্তু সরকারি কর্মচারী।আমাদের প্রতি যে এতবড় একটা অন্যায় করা হল, বিনা কোনও অপরাধে আমাদের যে এতবড় একটা নিরাপত্তাহীনতায় ফেলে দেওয়া হল, তাহলে আমাদের নিরাপত্তাটা কে দিল ? আমাদের সঙ্গে কোন ন্যায়টা করা হল ? এই ন্যায়টা তো উনি দেখছেন না। আজকে যখন আমরা এইরকম চরম ক্ষতির মুখে, জীবন জীবিকা হারিয়ে প্রায় মৃত্যুর মুখে, সেই মুহূর্তে উনি বলছেন, আমরা শিক্ষক সুলভ আচরণ করি যেনও । আমরা তো তা অবশ্যই করছি।






















