R G Kar Case : অবশেষে আশার আলো? রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে অভয়ার পরিবারকে ইমেল, কী লেখা সেখানে?
R G Kar Case Update : প্রধানমন্ত্রী থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সকলেরই সাক্ষাৎ প্রার্থনা করেছিলেন অভয়ার মা-বাবা। কিন্তু এখনও তাঁদের কারও সঙ্গেই দেখা হয়নি। অবেশেষে রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে মিলল চিঠি।

সমীরণ পাল, কলকাতা : বহুদিন আগেই সুবিচারে সাহায্য চেয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ইমেল করেছিলেন নিহত তরুণী চিকিৎসকের পরিবারের সদস্যরা। আরজি করের ঘটনার এক বছর অতিক্রান্ত। এখনও চলছে অভয়ার মা-বাবার ন্যায়বিচারের লড়াই। প্রধানমন্ত্রী থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সকলেরই সাক্ষাৎ প্রার্থনা করেছিলেন অভয়ার মা-বাবা। কিন্তু এখনও তাঁদের কারও সঙ্গেই দেখা হয়নি। অবেশেষে রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে মিলল চিঠি। গত ১৩ অগাস্ট রাষ্ট্রপতি ভবনে চিঠি লেখে অভয়ার পরিবার। গত ১৪ তারিখই পান তাঁর জবাব মেল। এর আগেও রাষ্ট্রপতির কাছে মেল করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু তখন তাঁরা উত্তর পাননি। কিন্তু এবার সুবিচারের আশায় মেল করার পর মিলেছে উত্তর।
RG কর-কাণ্ডে এবার রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে নিহত চিকিৎসকের পরিবারের সঙ্গে ই-মেলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হল। সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সাক্ষাৎ চেয়ে মেল করেছিলেন নির্যাতিতার মা-বাবা। তার উত্তরে ১৪ অগাস্ট রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে মেল করে দ্রুত যোগাযোগের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। অভয়ার পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালের থেকে এখনও অভয়ার পরিবার কোনও সাহায্য পাননি।
চিঠিতে জানানো হয়েছে, রাষ্ট্রপতির আপ্ত সহায়ক শিগগিরই নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন । তাদের সমস্যাগুলি সমাধানের চেষ্টা করার আশ্বাসও মিলেছে বলে খবর। এই ইমেলে একটু স্বস্তি পেয়েছেন নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবা-মা। এত অন্ধকারের মধ্যেও আশা সঞ্চার হচ্ছে, জানিয়েছেন অভয়ার মা-বাবা। রাষ্ট্রপতির সহযোগিতায় ন্যায়বিচারের আশায় তাঁরা। হয়ত এবার একটু ইতিবাচক কিছু ঘটতে পারে। এই আশা অনেকেরই, অভয়ার পরিবারের, অভয়ার অপরাধীর শাস্তিকামী লক্ষ লক্ষ মানুষের।
গতবছর ৯ অগাস্ট আর জি কর মেডিক্য়াল কলেজ থেকে উদ্ধার হয়েছিল তরুণী চিকিৎসকের ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ। সেই ঘটনার প্রতিবাদে আন্দোলনের এক নজিরবিহীন চেহারা দেখেছিল কলকাতা। বছর ঘুরে গেলেও মেয়ের ধর্ষণ ও খুনের বিচার পাননি। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেখা করতে চেয়ে দরবার করলেও সেই সুযোগ আজও হয়নি। তাই ক্রমশ বাড়ছে সব হারানো সেই মা-বাবার ক্ষোভ। এরই সঙ্গে রাজ্য সরকার, সিবিআই ও কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে গুচ্ছ গুচ্ছ অভিযোগ করে আসছেন তিলোত্তমার মা-বাবা। বছর ঘুরতে চললেও, মা-বাবার সেই যন্ত্রণা এতটুকু কমেনি। শুধু অপেক্ষা, সন্তান তো আর ফিরবে না। বিচার মিলবে কি?






















