BJP News: ‘পরের নির্বাচনে তৃণমূল নামের কোনও দল থাকবে না’, ফলতায় দাঁড়িয়ে ভবিষ্যদ্বাণী শমীক ভট্টাচার্যের
Samik Bhattacharya: ফলতায় দাঁড়িয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ। শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, আর ক্ষমতায় ফিরতে পারবে না জোড়াফুল শিবির।

ফলতা: উপনির্বাচনে প্রচারে গিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের। এত বছর ধরে তৃণূল হামলা চালিয়েছে, দলীয় স্বার্থে পুলিশকে ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। সেই সঙ্গে দাবি করেন, আগামী বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল দলটির অস্তিত্বই থাকবে না। (Samik Bhattacharya)
আগামী ২১ মে ফলতায় বিধানসভা উপনির্বাচন। সেখানে বিজেপি-র প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা। রবিবার তাঁর প্রচার করতে গিয়ে শমীক বলেন, "এখানে আসার পথে দু'একটা ওই পরিবারের ছবি দেখতে পাব ভেবেছিলাম। আজ তৃণমূলের পতাকা নেই, তৃণমূলের ছবি নেই। এক বছর আগে আপনাদের সামনে বলেছিলাম, তৃণমূল চলে গিয়েছে, তৃণমূল চলে যাবে, তৃণমূল চলে যাচ্ছে। শুধু মনে করানোর জন্য এসেছি। গঙ্গার জল রাইটার্সের দোতলায় পৌঁছতে পারে, আকাশ নবান্নে নেমে আসতে পারে, একেনবাবুর মাথায় চুল গজাতে পারে, কিন্তু তৃণমূল ক্ষমতায় আসতে পারবে না।" (BJP News)
আরও পড়ুন: গঙ্গার জলে নিজেদের ভাগ বুঝে নিতে চায় বাংলাদেশ, চাপ বাড়াতে নয়া কৌশল!
এবারের নির্বাচনে মানুষই তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন বলে মন্তব্য করেন শমীক। তাঁকে বলতে শোনা যায়, "আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে তৃণমূল নেই। আগে বলতাম থাকবে না। আজ বলছি নেই। মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে বলছি। জলপাইগুড়ি, দিনাজপুর জেলা, মালদায় নেই। মুর্শিদাবাদে হামাগুড়ি দিয়েছে তৃণমূল। দক্ষিণবঙ্গ দুর্ভেদ্য দুর্গ ছিল। মথুরাপুরের মানুষ দেখিয়ে দিয়েছেন। বাকি রইল ডায়মন্ড হারবার। আমরা পৌঁছে গিয়েছি। পরের নির্বাচনে তৃণমূল থাকবে না। তৃণমূল নামের কোনও দল থাকবে না। এখন সরকারটা নেই, মুখ্যমন্ত্রী নেই, উত্তরাধিকারী নেই, ঔদ্ধত্য নেই, কনভয়ের পুলিশ নেই। তৃণমূলের বোমা-গুলি নেই, আগ্নেয়াস্ত্র নেই। আপনারা প্রাণ ভরে শ্বাস নিন। কেউ বন্ধ করতে পারবে না। কিন্তু অতীত ভুলে যাবেন না।"
আরও পড়ুন: রাজধানী এক্সপ্রেসে বিধ্বংসী আগুন, পুড়ে ছাই এসি কামরা, আগুন ধরল গাছপালাতেও, ভয়ঙ্কর ঘটনা
শমীকের দাবি, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে মসজিদে মসজিদে মাইক বাজিয়ে অন্য ধর্মের মানুষকে চলে যেতে বলা হয়েছিল। কিন্তু বিজেপি-র কর্মীরা দাঁতে দাঁত চেপে পড়েছিলেন। ২০২১ সালে তাঁদের তিন কর্মী খুন হন, তার আগে খুন হন আরও ৩১ জন। মানুষে আশীর্বাদেই বিজেপি এতদবর পৌঁছতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন শমীক। হাকিমনগরের মহিলাদের জন্যই ফলতায় নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন।























