South 24 Pargana: সুন্দরবনের খাঁড়িূতে মৎসজীবীদের জালে ধরা পড়ল দৈত্যকার মাছ
South 24 Pargana: শুক্রবার বিকালে জাল পেতে যখন তারা মাছ ধরছিলেন ঠিক তখন এই বিশালাকার মাছটি তাঁদের জালে পড়ে। সকলে মিলে তড়িঘড়ি মাছটিকে নৌকায় তোলে।

শান্তনু নস্কর: ক্যানিং: সুন্দরবনের নদী, খাঁড়িতে জাল পেতে মাছ ধরার সময় মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পড়ল একটি বিশালাকার তেলিয়া ভোলা মাছ। মাছটির ওজন ৭৮ কেজি ৪০০ গ্রাম। শুক্রবার গোসাবার সোনাগাঁ থেকে পাঁচ সদস্যের মৎস্যজীবীদের একটি দল বিকাশ বর্মণের নেতৃত্বে গিয়েছিলেন মাছ ধরতে। শুক্রবার বিকালে জাল পেতে যখন তারা মাছ ধরছিলেন ঠিক তখন এই বিশালাকার মাছটি তাঁদের জালে পড়ে। সবাই মিলে তড়িঘড়ি মাছটিকে নৌকায় তোলে। শনিবার সন্ধ্যায় মাছটিকে ক্যানিংয়ে মাছের আড়তে বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন মৎস্যজীবীরা।
সুন্দরবনের নদী, খাঁড়িতে মাছ ধরেই জীবিকা নির্বাহ করেন বিকাশ। ভাই বাবুল বর্মণ, ভাইপো সৈকত সহ মোট পাঁচজন শুক্রবার সোনাগাঁ থেকে মাছ ধরার জন্য রওনা দেন। মাঝে মধ্যেই চার পাঁচদিনের জন্য সুন্দরবনের বিভিন্ন নদী, খাঁড়িতে মাছ ধরতে বেরিয়ে পড়েন বিকাশ সৈকতরা। কিন্তু এতো বড় মাছ এর আগে কখনো জালে পড়েনি। শনিবার সন্ধ্যায় ক্যানিং মাছ আড়তে শুরু হয় মাছটির নিলাম। সাড়ে ষোল হাজার টাকা কেজি প্রতি দাম শুরু হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিক্রি হয় মোট ৩৬ লক্ষ ৫৩ হাজার ৬০৫ টাকায়। আড়তদারদের দাবি এত বড় তেলিয়া ভোলা এর আগে ক্যানিং বাজারে আসেনি। চল্লিশ, পঞ্চাশ কেজির মাছ আগে এলেও এত বড় মাছ আগে দেখিনি।
এদিকে অন্য একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজপুরে তৃণমূলের দুই নেতা-নেত্রীর পোস্টার ঘিরে দেখা দিয়েছে বিতর্ক। মাস দুয়েক আগে রাজপুরের তৃণমূল সভাপতি করা হয় কুহেলি ঘোষকে। উপনির্বাচনে তিন কেন্দ্রে জয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়ে এই তৃণমূল নেত্রীর নামে পোস্টার পড়েছে।
ঠিক একইভাবে শারদ শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্টার দিয়েছেন সদ্য প্রাক্তন সভাপতি শিবনাথ ঘোষ। কিন্তু সেখানে নিজেকে রাজপুর টাউনের সভাপতি বলে দাবি করেছেন এই প্রবীণ নেতা। তিনি বলেন, দিদি আমার কাছে জানতে চান কে করেছে। আমি বললাম, কে করেছে জানি না, তবে ঘরের মধ্যে ঘর হয়ে যাচ্ছে। বাজে জায়গায় যাচ্ছে। দিদি তখন বলেন, আপনি আছেন আপনি থাকবেন।
অন্যদিকে, কুহেলি ঘোষ বলেন, ১৬ অগাস্ট রাজপুর-টাউন তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে আমার নাম প্রকাশিত হয়েছে, দলের পদ অনুযায়ী শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। দলের নির্দেশ মেনে কাজ করছি। পোস্টার বিতর্কে রাজপুরের প্রাক্তন টাউন সভাপতির পাশে দাঁড়িয়েছেন সোনারপুর দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক লাভলি মৈত্র। তিনি বলেন, শিবনাথ ঘোষকে মানছি কারণ দলের নির্দেশ মেনে করছি, শিবুদাকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে।
ট্রেন্ডিং
সেরা শিরোনাম
