Kakdwip College: ইউনিয়ন রুমে বিছানা-বালিশ, উবু হয়ে শুয়ে চলছে মাসাজ ! এবার কাকদ্বীপের ভাইরাল ভিডিওয় তোলপাড়
Kakdwip Sundarban Mahavidyalaya Massage Controversy: কসবাকাণ্ডের আবহের মাঝেই এবার ইউনিয়ন রুমে বিছানা পেতে মাসাজ, বিতর্ক কাকদ্বীপের কলেজে..

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সোনারপুর মহাবিদ্যালয়ের পর এবার শিক্ষাক্ষেত্রে ফের লজ্জাজনক ঘটনার ছবি ফিরল কাকদ্বীপে। কাকদ্বীপের সুন্দরবন মহাবিদ্যালয়ের ইউনিয়ন রুমে মাসাজের ছবি ভাইরাল। 'শাসক দলের মদতেই এমন ঘটনা..', সরব এবিভিপি, ডিওয়াইএফআই
আরও পড়ুন, বেহাল রাস্তা, খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালের পথে অন্তঃসত্ত্বা মুর্শিদাবাদের সুতিতে !
মেঝেতে পাতানো হয়েছে বিছানা। তার উপর বালিশে মাথা রেখে, উবু হয়ে শুয়ে একজন মাসাজ নিচ্ছে। সোনারপুরের পর এবার কাকদ্বীপের সুন্দরবন মহাবিদ্যালয়ে, বহিরাগত যুবকের মাসাজের ভাইরাল ভিডিওয় ইতিমধ্যেই তোলপাড়। যদিও ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন 'বহিরাগত' যুবক দেবজ্যোতি পাল। অভিযুক্ত বহিরাগত যুবক দেবজ্যোতি পালের সাফাই, 'এটা পুরনো গল্প। আমরা মাঠে খেলতে গিয়েছিলাম। খেলায় সময় পিঠে চোট লাগে। বৃষ্টি পড়ছিল সেইসময়। আমরা বলি যে ভিজব না। তখন ইউনিয়ন রুমে ঢুকে গা-টা মাসাজ করে দিচ্ছিলাম। ..আমরা রাজনীতি করি না। ছাত্রসংসদও করি না। ..'
এদিকে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই, কাকদ্বীপের সুন্দরবন মহাবিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র তথা এবিভিপি নেতা বলেন, আর কত কী দেখতে হবে। আমরা তো বলেই এসেছি আগে। যখন একটা ছেলে প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়, তখন থেকেই এগুলি দেখতে থাকে। তৃণমূল তো দায় এড়াতে পারবে না। প্রিন্সিপালও পারে না দায় এড়াতে। কারণ বহিরাগত ঢুকছে, বের হচ্ছে, প্রিন্সিপালও জানেন। প্রিন্সিপাল এগুলিকে পুষে রেখেছেন। কারণ সেটিং বলে...প্রিন্সিপালেরও একটা ভয় আছে, চাকরি বিষয়ে..।'
সম্প্রতি সোনারপুরের কলেজেও একটি বিস্ফোরক অভিযোগ ওঠে।সোনারপুরের কলেজে ইউনিয়ন রুমে ছাত্রীকে দিয়ে মাসাজ নিচ্ছেন যুবনেতা প্রতীক কুমার দে। দলেরই যুবনেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর পাপিয়া হালদার। ভিডিও সহ দলের শীর্ষ নের্তৃত্বের কাছে, অভিযোগ জানান কাউন্সিলর। দেড় বছর আগে যুবনেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেও কোনও সুরাহা মেলেনি। উল্টে পদোন্নতি হয়েছে। এমনই অভিযোগে সরব হন, পাপিয়া হালদার। যদিও ওই যুবনেতা প্রতীকের দাবি, 'AI দিয়ে বানানো পুরনো ভিডিও।'
যদিও এরপর তৃণমূল বিধায়ক লাভলি মৈত্র বলেন, 'এই ঘটনা যদি সত্যি ঘটে থাকে, তাহলে সেটা কাম্য নয়। তার বিরুদ্ধে কলেজ কতৃপক্ষকে বলব, আমাদের দল এবং প্রশাসনকে বলব, কঠোর ব্যবস্থা নিতে। আমার বক্তব্য যদি কোনও অন্যায় হয়,.. আমাদের দল কিন্তু কখনও কোনও অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। যদি কেউ এমন কাজ করে থাকে, কারুর কোনও অভিযোগ থাকে, তাঁর বিরুদ্ধে, আমি কিন্তু তাঁর ব্যবস্থা নেব। বিষয়টা হচ্ছে ওই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধেও অনেক অভিযোগ আছে। যেগুলি আমাদের কাছে এসেছে। স্থানীয় ব্যক্তিদের সূত্রে। সেই অভিযোগগুলি আমরা কিন্তু দলকে জানিয়েছি। দল সেটা ব্যবস্থা নেবে। '






















